শিরোনাম
◈ চার বছর পর আবার ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ◈ করমুক্ত আয় বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিল ও স্টার্টআপে ৫০০ কোটি টাকা: বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ জনবান্ধব প্রস্তা ◈ কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান ভ্যাটের আওতার বাইরে রেখে সংসদে অর্থ বিল পাস ◈ সদ্য চালু হওয়া ভারতীয় ভ্রমণ ভিসার ‘স্লট’ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ (ভিডিও) ◈ অর্থবিল পাস, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর ◈ একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১২৪ ◈ করদাতাদের স্বস্তি দিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭১৬ ◈ এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ◈ আমাদের লক্ষ্য মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে অর্থনীতিকে মুক্ত করা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১৩ রাত
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাটে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর হাতে খনন করা খাল বিলুপ্তির পথে

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেন। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া বাজার সংলগ্ন একটি খাল তিনি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে খনন করেন।

দেশের কৃষি বিপ্লবকে বেগবান করার লক্ষ্যে গৃহীত জিয়ার ঐতিহাসিক খালকাটা কর্মসূচির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে চিতলমারী উপজেলার স্থানীয় শিক্ষক আরিফুজ্জামান প্লাবণ (৩৮) বলেন, “প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খালকাটা কর্মসূচি ছিল বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লবের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। যদিও তখন আমার জন্ম হয়নি, তবে এলাকার প্রবীণদের কাছ থেকে শুনেছি তিনি হেলিকপ্টারযোগে বড়বাড়িয়া বাজারের পাশে অবতরণ করেন এবং নিজ হাতে কোদাল ও ঝুড়ি নিয়ে খাল খনন করেন।”

তিনি আরও বলেন, “দুঃখের বিষয়, কালের বিবর্তনে সেই খালটি এখন প্রায় মৃত। নেই আগের গভীরতা, নেই স্রোতধারা। দুই পাড়ের বহু জায়গা ভূমিদস্যুরা দখল করে নিয়েছে।” খালটি পুনঃখননের জন্য তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

তৎকালীন প্রত্যক্ষদর্শী ও চিতলমারী থানা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক এফ. এম. ফরহাদ হোসেন মুঠোফোনে জানান, “বাগেরহাট ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খালকাটা কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা, যাতে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে। এ কারণেই তিনি সরাসরি কর্মসূচিতে অংশ নেন।”

স্থানীয় বাসিন্দা মিলু ফকির (৮০) বলেন, “সকালে শুনলাম জিয়াউর রহমান বড়বাড়িয়া বাজার সংলগ্ন খালকাটার উদ্বোধন করবেন। কিছুক্ষণ পর হেলিকপ্টারের শব্দ শুনে সেখানে গিয়ে দেখি তিনি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে খাল কাটছেন এবং ঝুড়ি তুলে দিচ্ছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মালেক উকিলের মাথায়।”

স্থানীয় বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান খান, মো. আব্দুর রায়হান, মো. জামাল খান ও মো. শাহাদাৎ হোসেন মোল্লাসহ এলাকাবাসী খালটি পুনঃখননের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে পিরোজপুর ও উপকূলীয় অঞ্চলে খাল খনন কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে দেশব্যাপী প্রায় ৩,৬৩৬ মাইল (প্রায় ৫,৮০০ কিলোমিটার) খাল খনন করা হয়, যা কৃষি উৎপাদন ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়