শিরোনাম
◈ জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ পাওয়ার চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি পরিশোধ ◈ পোশাকনির্ভর রপ্তানি কমাতে নতুন ৫ খাত খুঁজছে সরকার ◈ সৌরশক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রণোদনা : ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা ৫০ পয়সা দেবে সরকার ◈ আ.লীগ প্রশ্নে দিল্লির মনোভাব কি পাল্টাচ্ছে? ◈ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার পর সৌদি যুবকের আত্মহত্যা ◈ মতপ্রকাশের ব্যাপারে সরকার ‘খুব উদার’: তথ্য উপদেষ্টা ◈ নেপালে বন্যা: এক শিক্ষকের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে যেভাবে বেঁচে গেল ৯০০ শিক্ষার্থী ◈ নিজ সন্তান বি‌ক্রি করে আইফোন ক্রয়! ◈ জুলাই সনদ চাইবেন, কিন্তু বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন না—দুইটা বিপরীতমুখী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ গেন্ডারিয়ায় হঠাৎ গোলাগুলি-মারামারি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:৪১ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমার সংলগ্ন সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার: মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান (১২) মারা গেছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিল। শনিবার সকালে সে মারা যায়।

নিহত আফনান কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

নিহত শিশুর চাচা এরশাদ বলেন, “গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ঢাকায় জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এতদিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ সকালে সে মারা যায়।”

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি সকালে হোয়াইক্যং সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের তোতারদ্বীপ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া একটি গুলি এসে আফনানকে বিদ্ধ করে। গুলিটি তার কানে লাগে বলে জানিয়েছিল পুলিশ।

ঘটনার পর শিশুটিকে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হলেও পরে নিশ্চিত করা হয় সে জীবিত ছিল এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম ও পরে ঢাকায় পাঠানো হয়।

  • সর্বশেষ