শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ২৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোল বন্দরে পাসপোর্টধারী যাতায়াত ১,৫২১ জন, আমদানি–রফতানি ৩০০ ট্রাক

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর): যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১,৫২১ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। একই দিনে দুই দেশের মধ্যে ৩০০ ট্রাক পণ্যের আমদানি ও রফতানি হয়েছে। এতে ভ্রমণ খাতে সরকারের প্রায় ১৩ লাখ টাকা এবং বাণিজ্য খাতে প্রায় ১২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় মানি চেঞ্জারদের তথ্যমতে, মঙ্গলবার বাংলাদেশি ১০০ টাকার বিপরীতে ৭৪.৩০ ভারতীয় রুপি পাওয়া গেছে এবং ভারতীয় ১০০ টাকায় বাংলাদেশি ১৩২ টাকা মিলেছে। এদিন প্রতি মার্কিন ডলারের ক্রয়মূল্য ছিল ১২৫ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৬ টাকা।

বন্দর সূত্র জানায়, বেনাপোল-পেট্রাপোল রুটে সকাল ৯টা থেকে আমদানি ও রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়। সোমবার আমদানি হয়েছে ২২২ ট্রাক পণ্য। এসব পণ্যের মধ্যে ছিল শিল্পকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল, শিশু খাদ্য, মেশিনারি, অক্সিজেন, বিভিন্ন ধরনের ফল, চাল, পেঁয়াজ ও মাছ। অপরদিকে রফতানি হয়েছে ৭৮ ট্রাক পণ্য, যার মধ্যে ছিল বসুন্ধরা টিস্যু, মেলামাইন, কেমিক্যাল, মাছ ও ওয়ালটন পণ্য।

ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পাট, পাটজাত দ্রব্য, তৈরি পোশাক ও কাঠের আসবাবপত্রসহ কয়েকটি পণ্য রফতানি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে দেশীয় শিল্প সুরক্ষার কারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় সুতাসহ কিছু পণ্যের আমদানিও সরকার পরিবর্তনের পর থেকে বন্ধ আছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সামসুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ট্রাক পণ্যের বাণিজ্য হতো। তবে পরবর্তী সময়ে দুই দেশের একের পর এক নিষেধাজ্ঞার কারণে আমদানি, রফতানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এক বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৈঠক বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে গত বছরে আগের বছরের তুলনায় দেড় লাখ টনের বেশি পণ্য আমদানি কমেছে এবং চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় এক হাজার ১৩ কোটি টাকা ঘাটতি হয়েছে বলে তিনি জানান। বাণিজ্য স্বাভাবিক করতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল রুটে পাসপোর্টধারীদের যাতায়াত শুরু হয়। সোমবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মোট ১,৫২১ জন যাতায়াত করেন। এর মধ্যে ভারত গেছেন ৯৯৭ জন—বাংলাদেশি ৭১৬ জন, ভারতীয় ২৭২ জন ও অন্যান্য দেশের ৯ জন। আর ভারত থেকে ফিরেছেন ৫২৪ জন—বাংলাদেশি ৩৮৬ জন, ভারতীয় ১৩৬ জন ও অন্যান্য দেশের ২ জন। ৫ আগস্টের পর ভিসা জটিলতার কারণে যাত্রী চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

এদিকে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান জানান, বর্তমানে রেলপথে কেবল এসিআই মোটরসের ট্রাক্টর আমদানি হচ্ছে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে অন্যান্য পণ্যের আমদানি বন্ধ রয়েছে এবং ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ঢাকা–বেনাপোল–কলকাতা রুটে দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলও স্থগিত রয়েছে।

  • সর্বশেষ