শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২২ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত রাজনগরের ফতেপুর ইউনিয়নের প্রায় দশটি গ্রাম

মোঃ জালাল উদ্দিন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত প্রায় দশটি গ্রামের মানুষ ভয়াবহ নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন। প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে এলাকাবাসীর। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর, বেড়কুরি, মোল্লাবাড়ি, জাহিদপুর, আব্দুল্লাহপুর, চরকারপার ও কাশিমপুরসহ অন্তত দশটি গ্রাম বর্তমানে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবার এমন অবস্থায় পড়েছে যে, তাদের নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই; অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে দিন কাটাতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী মিরাশ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তার কার্যকর উপস্থিতি দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমদাদুল হক টিটু বলেন, “আমি এ সমস্যা সম্পর্কে সাবেক উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম এবং বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

অন্যদিকে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলিদ জানান, “ফতেপুর ইউনিয়ন ও মনমুখ ইউনিয়নসহ মোট প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় নদীভাঙন রয়েছে। আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং একটি কাজের ড্রাফট প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি। তবে এখনো ফান্ড না আসায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।”
এদিকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আসন্ন বর্ষায় নদীভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়