শিরোনাম
◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মা‌ঠে ইমরান খানের দুই  ছেলের সাক্ষাৎকার প্রচার করায় ম্যাচ বয়কটের হুমকি পিসিবির! ◈ আজ থেকে নারী এশিয়া কাপ শুরু, বাংলাদেশের প্রথম ম‌্যাচ সোমবার ইন্দো‌নে‌শিয়ার বিরু‌দ্ধে ◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫৪ বিকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগর চেচোগাড়ি বিলে পাখি শিকার বন্ধে জরুরি সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সুটিয়া-শ্রীরামপুর সড়কের পূর্ব পাশে বিস্তৃত চেচোগাড়ি বিল একসময় ছিল অতিথি পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল। হাসাদাহ, সুটিয়া ও শ্রীরামপুর—এই তিন গ্রামের সংযোগে গড়ে ওঠা বিলটি অতীতে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর থাকলেও এখন প্রায় মৃতপ্রায়। অধিকাংশ জায়গায় ধান চাষ হয়; বছরজুড়ে সামান্য অংশে পানি থাকে। তবু বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল মাছ ও স্থানীয় পাখির আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নির্বিচারে পাখি শিকারের কারণে বিলটি আজ পাখিশূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, সুটিয়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম (ন্যাটা)-এর ছেলে রেজাউল শীত মৌসুমে তিন মাস ধরে বিলের বিভিন্ন স্থানে কারেন্ট জাল পেতে পাখি শিকার করে। জালের পাশে সাদা পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী তাবু বানিয়ে সে নিয়মিত শিকার কাজে অবস্থান করে। এসব জালে স্থানীয় উপকারী পাখি—ফিঙ্গেরাজা, শালিকসহ অসংখ্য প্রজাতি আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে, যার ফলে নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পরিবেশগত ভারসাম্য।

পরিবেশবিদরা বলেন, পাখি শুধু জীববৈচিত্র্যের অংশই নয়, কৃষির জন্যও অত্যন্ত উপকারী। আর দেশের বিলে-বিলে অতিথি পাখির আগমন গ্রামীণ পরিবেশে সৌন্দর্য ও প্রাণবন্ততা যোগ করে। তাই চেচোগাড়ি বিলে এ ধরনের শিকার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগকে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয় সচেতন মহল।

জরুরি ভিত্তিতে বিল পরিদর্শন করে অবৈধ জাল সংগ্রহ ও ধ্বংস, শিকারিদের আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং—এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

পাখি-প্রাণের বিল চেচোগাড়িকে রক্ষা করতে না পারলে হারিয়ে যাবে এলাকার এক মূল্যবান পরিবেশগত সম্পদ।

  • সর্বশেষ