শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা, ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ◈ পুরান ঢাকার চকবাজারে ৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কাজ করছে ১০ ইউনিট ◈ মোংলা ইপিজেডে ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ ব্যাংককে চলছে বাংলাদেশের বড় পরীক্ষা, জ্বালানি ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ দুপুর
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাপাসিয়ায় রাতের আঁধারে নির্মাণাধীন মাদ্রাসার খুঁটি তুলে ফেলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ 

এ এইচ সবুজ,গাজীপুর প্রতিনিধি :গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পৈত্রিক ও ওয়াকফকৃত জমিতে নির্মাণাধীন আল-বারাকাত মসজিদ কমপ্লেক্স ও মাদ্রাসায় রাতের আঁধারে খুঁটি তুলে ফেলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে৷ এ ঘটনায় থানায় মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়েছে। 

গত শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কাজাহাজী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কাজাহাজী গ্রামের ইসমাইল মোল্যার পৈত্রিক সম্পদ ও একজনের ওয়াকফকৃত মোট ১২ শতাংশ জমির উপর আল-বারাকাত মসজিদ কমপ্লেক্স করা হয়। যেখানে ইতিমধ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হয়। মসজিদের নির্মাণের সময়ে মাদ্রাসা করার পরিকল্পনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। 

এ সময় স্থানীয় খোরশেদ মোল্লা নামে এক ব্যক্তি তার কিছু লোকজন নিয়ে মসজিদের কাজে বাধা দেয়। ওই ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তবে চলতি সপ্তাহে সবাইকে নিয়ে মাদ্রাসা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়৷ শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় আগের বিবাদীগণ মাদ্রাসার খুঁটি তুলে ফেলে এবং ভাঙচুর করে। 

Advertisement

অভিযোগকারী মো: ইসমাইল মোল্যা বলেন, আমার পৈত্রিক সম্পদ ও ওয়াকফকৃত সম্পত্তিতে মসজিদ করেছি, এখন মাদ্রাসা করা হচ্ছে। বিষয়টি মীমাংসিত থানা ও এলাকার মুরুব্বী সবাই জানে। তবুও খোরশেদ ও তার লোকজন নির্মানাধীন মাদ্রাসার খুঁটিগুলো তুলে ফেলেছে এবং ভাঙচুর করেছে। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত খোরশেদ আলম বলেন, আমি মাদ্রাসার খুঁটি তোলা বা ভাঙচুর করিনি। এর আগের বার আমি ভাঙচুর করেছিলাম। তবে এবার কারা ভাঙছে আমি বলতে পারবো না। 

কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক এসআই সোহাগ বলেন, সেখানে মসজিদ মাদ্রাসা হবে এটা আমরা জানি। আমরা গিয়ে বলে এসেছি মাদ্রাসা করার জন্য। বালি ফেলা হয়েছে খুঁটিও গাড়া হয়েছে। শুনেছি সেই খুঁটিগুলো তুলে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ