শিরোনাম
◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর ◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি ◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:২৮ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোলে যশোর জেলা ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ

আইরিন হক, বেনাপোল (যশোর): যশোরের বেনাপোল সীমান্ত  থেকে ইমরান হোসেন নামে এক  ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। ধারনা করা হচ্ছে ভারতে পালিয়ে যেতে সে সীমান্তে অবস্থান করছিল।

শুক্রবার(৫ সেপ্টম্বর) রাত ৮ টার দিকে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। আটক ইমরান  যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও যশোর এমএম কলেজ ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক। 

এদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, ইমরান বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলামের বাড়িতে বোমা হামলার সময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে গত ৪ আগস্ট বিএনপির পার্টি অফিসে হামলার ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। এসব ঘটনার বিভিন্ন ফুটেজেও তাকে দেখা গেছে।

শুক্রবার রাতে ভবের বেড়ে তাকে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করতে দেখে স্থানীয়রা প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে এমএম কলেজের কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী তাকে চিনে ফেলেন। এক পর্যায়ে জড়ো হতে থাকে স্থানীয়রা ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় তাকে আটকে রেখে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। 

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ রাসেল মিয়া বলেন, ইমরানকে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের জন্য পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ০৫ আগস্টের পর বিভিন্ন অপরাধীরা ভারতে পালানোর জন্য দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রথমে সীমান্তের পাশ্ববর্তী গ্রামে অবস্থান নেয়। পরে সুযোগ-সুবিধা বুঝে ওপারে রাজনৈতিক আশ্রয়ে চলে যাচ্ছে।  ইতিপূর্বে অবৈধ অনুপৈবেশের অভিযোগে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে। তবে বিভিন্ন জনকে ম্যানেজ করে অধিকাংশ পালিয়ে যাচ্ছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়