শিরোনাম
◈ ভোক্তার স্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যবসায়ীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ◈ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা ছাড়ালেই বরফে স্থায়ী বিপর্যয়ের আশঙ্কা, বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা! ◈ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করল বেফাক, অমান্যে স্বীকৃতি বাতিল হতে পারে ◈ গোলরক্ষকের হাঁটুর আঘাতে জ্ঞান হারালেন স্ট্রাইকার, পরিত্যক্ত ম্যাচ ◈ উৎসবের আনন্দ রূপ নিল আতঙ্কে: যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হ্যালোইন উৎসবে বন্দুক হামলা, নিহত ২৪ আহত ৯৪ ◈ বিশ্বকা‌পে বাংলাদেশের ম্যাচ দেখতে ৯ লাখ আবেদন ◈ জামিনে কারামুক্ত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ◈ ফের মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ: বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন ◈ ব্রিটিশ নাগরিকত্বের সুবাদে আইপিএলে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন পা‌কিস্তা‌নের মোহাম্মদ আমির  ◈ রাজধানীর মাতুয়াইলে পার্কিং করা শ্রাবণ পরিবহণের বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন

প্রকাশিত : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফের মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ: বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনের মুখে দেশের প্রধান তিনটি শিল্পাঞ্চলে চরম শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এবং শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বের হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া-জিরানী অঞ্চলের ৬৭৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কাজ না করেই কারখানা থেকে বাসায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ জন শ্রমিক। সোমবার বিজিএমইএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর মিরপুর-১১ তে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে ফের সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শ্রমিকরাও পুলিশের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। দুইপক্ষের পালটাপালটি ধাওয়া চলমান রয়েছে। 

শ্রমিক আন্দোলনের কারণে মিরপুর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রয়েছে। 

বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, দেশের পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট দুই হাজার ১৩৪টি কারখানার মধ্যে এক হাজার ৪৫৫টি খোলা ছিল। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৬৭৯টি কারখানা শ্রমিক অসন্তোষের কারণে বন্ধ রয়েছে।

Advertisement

বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভার, আশুলিয়া, জিরানী বাজার, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের মোট দুই হাজার ১৩৪টি কারখানার মধ্যে এক হাজার ৪৫৫টি কারখানা খোলা ছিল। ৬৭৯টি কারখানার শ্রমিকরা কাজে অংশ না নিয়ে চলে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ ছিল।

মিরপুরের মোট ৩২০টি কারখানার মধ্যে ৫৫টি কারখানা থেকে শ্রমিকরা বের হয়ে যান। কাজ না করে চলে যাওয়া শ্রমিকের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৮৪০ জন।

গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ এলাকার ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ৩৮২টি কারখানা বন্ধ ছিল। সাভার-আশুলিয়া এবং জিরানী শিল্পাঞ্চলে ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ২২৩টি কারখানার সাত লাখ ৪৩ হাজার শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখেন। নারায়াণগঞ্জে ১৯৯টি কারখানার মধ্যে ৯টি কারখানা থেকে শ্রমিক বের হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রামে এলাকায় ৩৪০টি কারখানা থাকলেও সেখানে কোনো শ্রমিক অসন্তোষ বা কাজ বন্ধের ঘটনা ঘটেনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।