শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৪:০৩ সকাল
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৪:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মঈন চৌধুরী: ৫০ বছরে আমরা দেশপ্রেমিক ভালো মানুষ খুব একটা তৈরি করতে পারিনি

মঈন চৌধুরী: আমি বলছি, সাবধান! আমরা আমাদের কাজ ও কর্মের মাধ্যমে হয়ে যাচ্ছি একজন ভালো আওয়ামী লীগার, অথবা একজন ভালো বিএনপির সমর্থক কিংবা একজন মৌলবাদী ধর্ম দর্শনের প্রবক্তা। যতো কিছুই বলি না কেন, যতো বাহাদুরই করি না কেন, গত ৫০ বছরে আমরা দেশপ্রেমিক ভালো মানুষ খুব একটা তৈরি করতে পারিনি। আমরা অতি সস্তা ভোটের রাজনীতি করে আবোল তাবোল অভদ্র মূর্খের ভাষায় কথা বলি, দুর্নীতি করি, গুম করি, খুন করি, হরতাল করি, পিস্তল নিয়ে ঘুরি, চাপাতি চালাই, ঘুষ দিই, ঘুষ নিই, স্বজনপ্রীতি করি, জঘন্যতম অন্যায়ের বিচার করি না আর তারপর যা খুশি তাই করি।

আমাদের রাজনৈতিক দর্শন আমাদের কী শিক্ষা দিচ্ছে তা দেখার জন্য দেখতে হবে আমাদের নতুন প্রজন্মকে, আমরা দেখবো আমাদের ভবিষ্যৎ ছাত্রলীগের কার্যকলাপ, আমরা দেখবো ছাত্রদলের কর্মকাণ্ড আর জানবো ছাত্রশিবিরের হিংস্র মনোভাব। আমার ভয় হয়, সামাজিক দুই নম্বর দুষ্টু প্রভুদের কাজে ও কর্মে মোহগ্রস্ত হয়ে আমরা তৈরি করছি কর্তা ও কর্ম বিষয়ক এক নতুন ব্যাকরণ, যার হাত থেকে আমাদের মুক্তি নেই। এভাবে যদি চলতে থাকে তবে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি আর নেতৃত্ব পুরোপুরিভাবে চলে যাবে খাঁটি মাস্তানদের হাতে, আগামী শত বছরেও আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হবে না, আমরা মুক্তি পাবো না।

খবরের কাগজে কিংবা টিভির পর্দায় টকশোতে পণ্ডিতরা যাই বলুক না কেন, খুব সহজ ও সরল ভাষায় আমি একটি শব্দ উচ্চারণ করতে চাই, শব্দটি হলো- সাবধান। আমি আবারও বলছি, সাবধান। আমরা যদি না জাগি, জনতা যদি না জাগে, তবে আমাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। আর একটা কথা যোগ করি, জনতাকে জাগানোর দায়িত্ব নিতে হবে নতুন প্রজন্মকে। প্রতিটি গ্রামে, গঞ্জে, মহল্লায়, শহরে, নগরে অরাজনৈতিক সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন করে মানুষকে জাগার মন্ত্র দিতে পারে একমাত্র নতুন প্রজন্মই। এই সংগঠন যদি শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের মতো হয় তবে খুবই ভালো, কিন্তু এ ক্ষেত্রে মঞ্চটিকে রাজনীতিমুক্ত হয়ে গণমুখী হতে হবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ