শিরোনাম
◈ জাপানে তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি সফর : বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে জোরদার ◈ প‌্যা‌রি‌সে বিক্ষোভের উত্তাপ, সোমবার রাতে পিএসজির ম্যাচ ◈ ইসলামবিদ্বেষের ছায়ায় ইউরোপ, কতটা নিরাপদ মুসলিমরা? : আল-জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ বাস-ট্রেনে হেডফোন ছাড়া গান শুনলে ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে কোন দেশে কত জরিমানা? ◈ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের: শামা ওবায়েদ ◈ বলপ্রয়োগ করলে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল ভাবে মানুষ: আইজিপি ◈ মাদরাসায় বলাৎকার: কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার ◈ কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে ১০০ কোটি ডলারের নয়, ১০ কোটি ডলারে ক্যান কারখানা গড়ছে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ গাজীপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টন গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট ◈ যে কারণে বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসা, জানাল দূতাবাস

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লুৎফর রহমান হিমেল: কবে ঢাবির ক্যান্টিনে ভাতের চাল চিকন ছিলো?

লুৎফর রহমান হিমেল
‘ঢাবির ক্যান্টিনগুলোতে মোটা হচ্ছে ভাতের চাল, পাতলা হচ্ছে ডাল’Ñ এই সুন্দর শিরোনামে প্রথম আলো একটি নিউজ প্রকাশ করেছে। অনলাইনে দেখলাম। মনে মনে বলে উঠলাম, আরে ও পেপার! বলি কবে ঢাবির ক্যান্টিনে ভাতের চাল চিকন ছিলো আর ডালে ডাল ছিলো যে অমন হেডিং করতে হবে! যেখানে চিকন চালের অস্তিত্বই ছিলো না, আর ডাল নামের যে হাত ধোয়ার পানি, তাতে কবে কে ডাল দেখেছে? শিরোনাম যাই হোক, সেটা পড়ে আমি দুই যুগেরও বেশি আগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ক্যাম্পাস জীবনে ফিরে গেলাম। বিশেষ করে ক্যান্টিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বহু স্মৃতি মনের পর্দায় ভিড় করলো। আগে প্রথম আলোর শিরোনাম নিয়ে কিছু কথা বলে নিই। তারপর স্মৃতিচারণে যাবো। ঢাবির হলগুলোর ক্যান্টিনে আমাদের সময় চিকন চাল ছিলো না। যতোদূর জানি, এখনো চিকন চাল নেই। আর ডাল! ডালে ছিলো না ‘ডালের কোনো দানা!’ কিন্তু শিরোনাম পড়ে মনে হচ্ছে, হলের ছাত্ররা চিকন চাল আর ঘন ডাল খেয়ে আসছিলো এতোদিন। এখন দিনকে দিন ভাত মোটা আর ডাল পাতলা হচ্ছে!
ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনকাহিনির মধ্যে ডালের ইতিহাসের বড় স্থান। ডাল মুখরোচক না হলেও হাজার হাজার মুখরোচক গল্প আছে ঢাবির হল ক্যান্টিনের ডাল নিয়ে। ডাল নিয়েই একটি স্মৃতির কথা বলি। পরে শুনেছি, এটি ক্যাম্পাসে নবাগতদের সবারই বেলায় ঘটেছে। সেটা ৯৫ সালের দিকে। হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলে গেছি এক বড় ভাইয়ের কাছে। আমি ক্যাম্পাসে নতুন। দুপুরে লাঞ্চ করতে গেছি ক্যান্টিনে। ভাত নেওয়ার আগে প্লেট ধূয়ে পানি রাখতে যাচ্ছি পাশে রাখা হাতধোয়ার বড় একটি প্লাস্টিকের গামলায়। এটা দেখেই সেই বড় ভাই রীতিমতো আঁৎকে উঠে বললেন, আরে! করছো কী! ওটা তো ডালের গামলা! পরে তিনি ফিসফিস করে বললেন, ক্যাম্পাসের বাসিন্দা হতে আসছো। এই ডালই খেতে হবে এখন থেকে নিয়মিত। আমি বিস্মিত হয়ে তার কথা শুনলাম। তিনি বললেন, তোমার দোষ নেই। প্রথমবার হল ক্যান্টিনে খেতে এসে সবারই এমন ভুল হয়। কোনটা যে ডাল আর কোনটা প্লেট ধোয়ার পানির গামলা সেটা বুঝতে নবাগতদের বেশ কিছুদিন লেগে যায়। লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।

  • সর্বশেষ