শিরোনাম
◈ ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে আগামী সংসদ অধিবেশনেই আইন পাস, থাকছে আরও যেসব সুবিধা ◈ শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয় পঞ্চগড় থেকে এবার দেখা গেল এভারেস্ট ও মাকালু, ক্যামেরায় বিরল দৃশ্য ধারণ (ভিডিও) ◈ ভারতীয় ভিসা জটিলতায় হাতছাড়া হচ্ছে গ্রিসের শ্রমবাজার, পিছিয়ে বাংলাদেশ ◈ সাতক্ষীরায় লংমার্চফেরত জামায়াত-শিবিরের বাস খাদে, নিহত ১, আহত অন্তত ২০ ◈ খিলক্ষেতের বাড়িতে ডিজে পার্টির ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির ◈ ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না: শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী ◈ কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে এএসপি কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসর ◈ যুব উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বেনাপোলে বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষা দেওয়া মাসুমা পেলেন এ গ্রেড ◈ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরী করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লুৎফর রহমান হিমেল: কবে ঢাবির ক্যান্টিনে ভাতের চাল চিকন ছিলো?

লুৎফর রহমান হিমেল
‘ঢাবির ক্যান্টিনগুলোতে মোটা হচ্ছে ভাতের চাল, পাতলা হচ্ছে ডাল’Ñ এই সুন্দর শিরোনামে প্রথম আলো একটি নিউজ প্রকাশ করেছে। অনলাইনে দেখলাম। মনে মনে বলে উঠলাম, আরে ও পেপার! বলি কবে ঢাবির ক্যান্টিনে ভাতের চাল চিকন ছিলো আর ডালে ডাল ছিলো যে অমন হেডিং করতে হবে! যেখানে চিকন চালের অস্তিত্বই ছিলো না, আর ডাল নামের যে হাত ধোয়ার পানি, তাতে কবে কে ডাল দেখেছে? শিরোনাম যাই হোক, সেটা পড়ে আমি দুই যুগেরও বেশি আগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ক্যাম্পাস জীবনে ফিরে গেলাম। বিশেষ করে ক্যান্টিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বহু স্মৃতি মনের পর্দায় ভিড় করলো। আগে প্রথম আলোর শিরোনাম নিয়ে কিছু কথা বলে নিই। তারপর স্মৃতিচারণে যাবো। ঢাবির হলগুলোর ক্যান্টিনে আমাদের সময় চিকন চাল ছিলো না। যতোদূর জানি, এখনো চিকন চাল নেই। আর ডাল! ডালে ছিলো না ‘ডালের কোনো দানা!’ কিন্তু শিরোনাম পড়ে মনে হচ্ছে, হলের ছাত্ররা চিকন চাল আর ঘন ডাল খেয়ে আসছিলো এতোদিন। এখন দিনকে দিন ভাত মোটা আর ডাল পাতলা হচ্ছে!
ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনকাহিনির মধ্যে ডালের ইতিহাসের বড় স্থান। ডাল মুখরোচক না হলেও হাজার হাজার মুখরোচক গল্প আছে ঢাবির হল ক্যান্টিনের ডাল নিয়ে। ডাল নিয়েই একটি স্মৃতির কথা বলি। পরে শুনেছি, এটি ক্যাম্পাসে নবাগতদের সবারই বেলায় ঘটেছে। সেটা ৯৫ সালের দিকে। হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলে গেছি এক বড় ভাইয়ের কাছে। আমি ক্যাম্পাসে নতুন। দুপুরে লাঞ্চ করতে গেছি ক্যান্টিনে। ভাত নেওয়ার আগে প্লেট ধূয়ে পানি রাখতে যাচ্ছি পাশে রাখা হাতধোয়ার বড় একটি প্লাস্টিকের গামলায়। এটা দেখেই সেই বড় ভাই রীতিমতো আঁৎকে উঠে বললেন, আরে! করছো কী! ওটা তো ডালের গামলা! পরে তিনি ফিসফিস করে বললেন, ক্যাম্পাসের বাসিন্দা হতে আসছো। এই ডালই খেতে হবে এখন থেকে নিয়মিত। আমি বিস্মিত হয়ে তার কথা শুনলাম। তিনি বললেন, তোমার দোষ নেই। প্রথমবার হল ক্যান্টিনে খেতে এসে সবারই এমন ভুল হয়। কোনটা যে ডাল আর কোনটা প্লেট ধোয়ার পানির গামলা সেটা বুঝতে নবাগতদের বেশ কিছুদিন লেগে যায়। লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।

  • সর্বশেষ