শিরোনাম
◈ ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু ◈ হাসনাত আব্দুল্লাহ ক্ষমা না চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এনসিপির কর্মসূচি বন্ধের হুঁশিয়ারি ◈ এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ◈ নারায়ণগঞ্জে খেলনা বন্দুক নিয়ে ভিডিও করে আটক দুই টিকটকার ◈ দ্রুত ঋণের নামে লোন অ্যাপের ফাঁদে সর্বস্বান্ত, ৩৫০০ টাকার ঋণে গুনতে হলো ১০ হাজার ◈ নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান: মৃত ৬১৬, নিখোঁজ শতাধিক; হেলিকপ্টারে চলছে উদ্ধার অভিযান ◈ কেয়াবন উজাড়ে সেন্ট মার্টিনে ফের রিসোর্টের হিড়িক, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ কক্সবাজারে হোটেলের পার্কিংয়ে লুকানো কোটি টাকার বিলাসবহুল তিনটি গাড়ি! (ভিডিও) ◈ কেনিয়ায় পোষা পিঁপড়ার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা, যেভাবে তৈরি হলো কোটি টাকার জমজমাট বিরল পিঁপড়ার কালোবাজার! ◈ দেশের বাজারে সোনার গয়নার বড় দরপতন, দাম একলাফে কমল ৭১১৫ টাকা

প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৯ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথেই হাঁটছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনামালঞ্চে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানী যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে ইফতার ও নৈশভোজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

সেনাপ্রধান বলেন, দেশ এখন একটি গণতান্ত্রিক পথে প্রবেশ করেছে এবং সশস্ত্র বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো আদর্শ ও পথ অনুসরণ করেই সামনে এগিয়ে যেতে চায়। গত ১৮ মাসের বিশেষ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে।

গত দেড় বছরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, ‘বিগত ১৮ মাস দেশের জন্য একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল। এই সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করেছে। আমরা সবসময় জনগণের পাশে থেকে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলাম।’

অনুষ্ঠানে একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর সেনারা সমবেত হয়ে তাদের রক্তঝরা দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করেন।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের ত্যাগ ও বীরত্বগাথা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে।’

সেনাপ্রধান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর সময়োপযোগী ভূমিকার প্রশংসা করেন।

স্মৃতিচারণা পর্বে মুক্তিযোদ্ধারা একাত্তরের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের কাহিনি তুলে ধরেন এবং বর্তমান প্রজন্মকে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিপুল সংখ্যক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সেনাবাহিনীর সূচনালগ্নে তাদের অনন্য অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

  • সর্বশেষ