প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিতর্কিত জিপিএ নির্ধারণ করে কুবির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

মাহমুদুল হাসান: [২] কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ ১ম বর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি ও এইচএসসি’র রেজাল্টকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের স্বাক্ষরিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়।

[৩] এ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, কুবিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। যার মধ্যে ১০০ নাম্বার আসবে ভর্তি পরীক্ষা থাকে। বাকী ১০০ নাম্বার আসবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল থেকে। তবে মেধা তালিকা তৈরির এ পদ্ধতি নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী ও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাঝে।

[৪] এভাবে জিপিএ’র উপর ১০০ নাম্বার রাখায় গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অনন্যা অনি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সার্কুলার প্রকাশ করেছে জিপিএতে ১০০ মার্কস রেখে। যেটা কম জিপিএ প্রাপ্ত কিন্তু গুচ্ছে ভালো স্কোর পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য অভিশাপ স্বরুপ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগে বলেছিলো অটো পাশের ফল নয়, গুচ্ছের ফল দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন হবে। তাহলে আজকে আমাদের এতো দূর্ভোগ কেনো?

[৫] এদিকে জিপিএ তে নাম্বার ১০০ রাখার বিষয়টির সমালোচনা করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, কুবিতে গুচ্ছ ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে জিপিএ এর উপর ১০০ মার্ক ধরা হয়েছে। যেখানে আগের মার্ক ছিলো ৫০, আর অটোপাশের রেজাল্টে ধরেছে ১০০। এমন উদ্ভট সিদ্ধান্ত একজন কুবিয়ান হিসেবে মেনে নিতে পারছি না।

[৬] জিপিএতে নাম্বার ১০০ রাখার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু কমানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তাই আমরাও গুরুত্বের সাথে বিষয়টি আগামীকাল অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংএ তা উপস্থাপন করবো। সেখান থেকে গ্রহীত সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে। উল্লেখ্য, সারা দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ’র উপরে ৫০ নাম্বার হিসাব করা হতো। সম্পাদনা:শান্ত মজুমদার

সর্বাধিক পঠিত