শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ স্পীকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্ব ◈ ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত—নির্দলীয় ভোটেও বিএনপি-জামায়াতের সমর্থনেই জমবে লড়াই ◈ ছাত্রদলের দুই ধারার দ্বন্দ্বে ইতি, একই মঞ্চে আমান–রিজভী: রাজনীতিতে নতুন বার্তা ◈ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১৬ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:৩৭ দুপুর
আপডেট : ১৬ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:৩৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিশ্বজুড়ে কারাবন্দী ২ লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিশু: ইউনিসেফ

লিহান লিমা: [২] ‘শিশুর জন্য ন্যায়বিচার’ শীর্ষক বৈশ্বিক সম্মেলনের পূর্বে নতুন এক প্রতিবেদনে ইউনিসেফ বলেছে, বিশ্বব্যাপী ২ লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিশু কারাবন্দী রয়েছে। সংস্থাটি এই শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য শিশু-কিশোর বিচার ব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান জানায়। ইউএন নিউজ

[৩] প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারীতে প্রায় ৪৫ হাজারের বেশি শিশুকে মুক্তি দেয়া হয়েছে, এটি প্রমাণ করে শিশু বান্ধব ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, আমরা জানি দেশগুলোর বিচার ব্যবস্থা শিশুদের জন্য অনুকূল নয়, মহামারীতে এই পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে।

[৪] বাংলাদেশে মহামারীতে ২০২০ সালের মার্চ মাসে শিশু আদালতের কার্যক্রমসহ সব আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করা হলে আটক শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এই কার্যক্রম স্থগিত করার ফলে কিশোর বন্দি কেন্দ্রে সাময়িকভাবে ক্ষমতার তিনগুণ শিশু আটক ছিলো। তবে ২০২০ সালের মে থেকে ৫ হাজার ৩’শ (যা বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়া শিশুর প্রায় ১২ শতাংশ) শিশু ভার্চুয়াল শিশু আদালতের মাধ্যমে আটক কেন্দ্র থেকে মুক্তি পেয়েছে। প্রসঙ্গত বৈশ্বিক শিশু অপরাধের বয়স ১৪ বছর হলেও বাংলাদেশে এটি ৯ বছর। ইউনিসেফ বিডি

[৫] বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মি. শেলডন ইয়েট বলেন, ‘আটক কেন্দ্রের পরিবেশ শিশুর চাহিদা পূরণের জন্য যথাযথ নয়। মহামারী চলাকালীন ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ নিশ্চিতে অনুকরণীয় ভূমিকা রেখেছে। আমরা সরকারকে মহামারী পরবর্তী সময়েও ভার্চুয়াল আদালত অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাই। এটি সাশ্রয়ী, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক এবং আদালত প্রাঙ্গনের প্রতিকূল পরিবেশ শিশুদের আসা রোগ করে। আমাদের মনে রাখতে হবে শিশুদের আটকে রাখলে কারো কোনো লাভ হবে না।

  • সর্বশেষ