প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] খুলনায় কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার পর মুক্তিপণ দাবি

শরীফা খাতুন, খুলনা প্রতিনিধি: [২] খুলনার পাইকগাছায় মুক্তিপনের দাবিতে অপহৃত আমিনুর রহমান (২০) নামের কলেজ পড়ুয়া ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে। উপজেলার আগড়ঘাটা কপোতাক্ষ নদের তীরে নিহতের রক্ত পাওয়া গেলেও মরদেহ পাওয়া যায়নি।

[৩] মুক্তিপনের টাকা আদায়কালে অপহরণ চক্রের ফয়সাল নামের এক যুবককে সোমবার বিকেলে জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। তবে রাত ৯টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

[৪] নিহত আমিনুর উপজেলার কপিলমুনির শ্যামনগর গ্রামের ছুরমান গাজীর ছেলে ও কপিলমুনি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আটককৃত ফয়সাল সরকার পাইকগাছার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।

[৫] পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে আড়ংঘাটা বাজার থেকে ৪/৫ জনের একটি চক্র আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে। রাত ১০টার দিকে তাকে হত্যা করে কপোতাক্ষ নদে ভাসিয়ে দেয় বলে আটক ফয়সাল পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশ রক্তের আলামত শনাক্ত করেছে। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আমিনুরের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার পিতা ছুরমান গাজীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে ফয়সাল। যা পাইকগাছা ব্রীজের নীচে রাখতে বলে। কিছু টাকাও সেখানে রাখা হয়। ওই স্থান থেকে সোমবার বিকেলে টাকা নিয়ে চলে আসার সময় চারপাশে মোতায়ন করা লোক অপহরণনকারী ফয়সাল সরদারকে আটক করে পুলিশে দেয়। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয় দেয়।

[৬] আসামি গ্রেপ্তার এবং মরদেহ উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার করার পর ফয়সাল হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে হত্যার বর্ণনা দেয়। তার বর্ণনা অনুযায়ী কপোতাক্ষের পাড়ে গিয়ে জমাট বাঁধা রক্ত পাওয়া যায়। রাত ৯টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি। সম্পাদনা: হ্যাপি

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত