শিরোনাম
◈ লিমন–বৃষ্টি নিখোঁজের পর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সন্দেহভাজনের গতিবিধিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ চীন থেকে চোরাচালান: দুই বিদেশিসহ তিনজন কারাগারে ◈ গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য, ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা বাতিল হয়নি ◈ এআইতে করা প্রশ্ন কি সত্যিই গোপন থাকে?—বাস্তবতা, ঝুঁকি ও করণীয় ◈ বসুন্ধরা চেয়ারম্যানসহ পরিবারের ৪ সদস্যের বিদেশযাত্রার অনুমতি মেলেনি ◈ রাজধানীতে শতভাগ পাম্পে চালু হচ্ছে ফুয়েল পাস! ◈ ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প জোরদার করা হবে : অর্থমন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসকে ছাড়িয়ে গেছে কয়লা ◈ আলোচনার টেবিলে আসার ইঙ্গিত, ট্রাম্পের প্রস্তাব পর্যালোচনায় ইরান ◈ হঠাৎ দেশের আকাশে দেখা গেল আগুনের গোলা

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর, ২০২১, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:১৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বালিশে ঘুম উপকারের চেয়ে অপকার বেশি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ঘুমানোর সময় মাথা এবং শিরদাঁড়াকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্যই মূলত বালিশের ব্যবহার করা হয়। এই অভ্যাসটি সবারই আছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য মাথার নিচে বালিশ গুঁজে শোয়ার অভ্যাস এখনই বদলে ফেলা উচিত বলছেন চিকিৎসকরা। আরটিভি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বালিশ যতটা না উপকারে লাগে, তার থেকে অনেক বেশি অপকার হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, কয়েকটা দিন একটু কষ্ট স্বীকার করুন, দেখবেন আপনা আপনি অভ্যাস বদলে যাবে

জেনে নেওয়া যাক বালিশ ছাড়া ঘুমানোর উপকারিতা।

শিরদাঁড়া চাঙ্গা থাকে:  পিঠে ব্যথা হলেই শিগগিরই বালিশ ছাড়া শোয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। মাথার সঙ্গে বাকি শরীরের তল বদলে দেয় বালিশ। যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে শিরদাঁড়ায়।

ঘাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: পরিসংখ্যান বলছে দক্ষিণ এশিয়ার মোট জনসংখ্যার সিংহভাগই কাঁধ, ঘাড় অথবা পিঠের কোনো না কোনও রোগে ভুগছেন এবং রোগীদের বেশিরভাগেরই বয়স ২৫-৪০ এর মধ্যে। তাই তো চিকিৎসকেরা কম বয়স থাকতেই বালিশ ছাড়া ঘুমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ এমনটা করলে শোয়ার সময় ঘাড় এবং ততসংলগ্ন অঞ্চলে রক্ত সরবরাহ ঠিক মতো হওয়ার সুযোগ পায়।

মুখমণ্ডলের উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমানোর সময় আমাদের মধ্যে অনেকেই উবু হয়ে, বালিশে মুখ গুঁজে শুতে ভালোবাসেন। এমনভাবে দীর্ঘ সময় কেউ যদি ঘুমায়, তাহলে ত্বকে বলিরেখা প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। বালিশে মাথা দিয়ে শোয়ার পর গালের যে দিকটা বেশির ভাগ সময় বালিশের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে সেখানেই আধিক্য দেখা যায়।

বালিশে ঘুমালে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে: বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, বালিশ ছাড়া ঘুমালে যতটা ভালো ঘুম হয়, বালিশ ব্যবহার করলে অতটা ভালো ঘুম হয় না। বালিশ ছাড়া শোয়ার অভ্যাস করবেন যেভাবে-

আমরা সবাই প্রায় ছোট থেকে বালিশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে এসেছি। তাই হঠাৎ করে বালিশ ব্যবহার বন্ধ করে দিলে ঘুম নাও আসতে পারে। তাই ধীরে ধীরে বালিশের অভ্যাস ছাড়তে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম এক সপ্তাহ বালিশের পরিবর্তে একটা মোটা তোয়ালে ভাঁজ করে মাথায় দিন। যত দিন যেতে থাকবে, তত তোয়ালের হাইট কমাতে থাকুন।

দ্বিতীয় সপ্তাহে তোয়ালেটা একেবারে পাতলা করে দিন। এই সময় খেয়াল রাখবেন, শোয়ার সময় মাথাটা এমন পজিশনে রাখবেন, যাতে থুতনিটা নিচের দিকে থাকে, উপরের দিকে নয়। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যখন তোয়ালের হাইট একেবারে কমিয়ে দেবেন, তখন মাঝে মাঝে ঘাড় এবং পিঠের কিছু ব্যায়াম করা শুরু করতে পারেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়