প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কখনো আমি ভুলে যাই আমি বাণিজ্যমন্ত্রী, না ব্যবসায়ী, পোলট্রি ও চাল খাদ্যমন্ত্রীর বিষয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

জেরিন আহমেদ: [২] রোববার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ডিবিসি টিভি

[৩] বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা প্রতিনিয়ত মিটিং করে যাচ্ছি। যেসব পণ্যের দাম বেড়েছে বলে কথা বলা হচ্ছে, যেমন-তেল, চিনি… প্রত্যেকটা পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেড়েছে। তাই আমাদের দেশে এর প্রভাব পড়েছে। দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে গরিব কিংবা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য টিসিবির মাধ্যমে কম দামে পণ্য বিক্রির চেষ্টা করছি। জাগোনিউজ

[৪] পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজে আমাদের ২০ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। যার ৯০ শতাংশ আমরা ভারত থেকে আমদানি করে পূরণ করি। ভারত যখন দাম বৃদ্ধি করে দেয়, তখনই আমাদের দেশে তার প্রভাব পড়ে। মিসরসহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করাটা অনেক সময়ের ব্যাপার, অনেক সময় আমদানিকালে পথিমধ্যে পচে যায়। এ বিষয়টি সকলকে বুঝতে হবে। ঢাকা পোস্ট

[৫] এসময় রপ্তানিতে ৫১ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রপ্তানিতে আমরা তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চাচ্ছি। এ খাত থেকে ৮৩-৮৪ শতাংশ রপ্তানি আয় আসে। আমরা চাই অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি হোক। আমাদের যেনো একটা পণ্যের ওপর অধিক নির্ভরশীলতা না থাকে। আমরা সেই অবস্থা থেকে বের হতে চাচ্ছি। চামড়া, পাট, প্রযুক্তি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোবাইলস ও প্লাস্টিক ইত্যাদি খাতে আমরা ভালো করছি। রপ্তানি চলতি বছরে ৫১ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। আশা করছি আমরা সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবো। যুগান্তর

[৬] টিপু মুনশি বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৯৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করছে। ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করছে। টেলিফোন সুবিধা তো আরও বেশি। ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি মিলবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের অনেক সুবিধা কমে যাবে, সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আরটিভি

[৭] মুজিব শতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে যৌথভাবে সপ্তাহব্যাপী ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিতব্য ওই আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে আজকের সংবাদ সম্মেলনে অবহিত করা হয়।অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

 

 

 

রোববার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

[৩] বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ঢাকা ডিসিসিআই’র যৌথ আয়োজনে এই সামিট ২৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। জাগো নিউজ

[৪] বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যদিও আমি বাণিজ্যমন্ত্রী তারপরও প্রায় ৪০ বছর ধরে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। সে জন্য কখনো কখনো আমি ভুলে যাই আমি বাণিজ্যমন্ত্রী, না ব্যবসায়ী। বাংলায় একটা কথা বলা হয়, সেটা আমরা জানি সবাই। সেটা সংস্কৃত থেকে এসেছে। সেটা হচ্ছে- বৃক্ষ তার ফলে পরিচয়। তো বাংলাদেশের আজকের যে পরিচয়, সেটা কী হয়েছে? যেটা আমরা অলরেডি দেখছি সেটাই কিন্তু পরিচয়। যে যা বলছি সেটা বলতে পারি। কিন্তু যেটা দেখেছি সেটাই মূল।

[৫] রিজার্ভের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি এটা সর্বকালের রেকর্ড, আমরা সবাই জানি। দেশে একটা সময় কখন বিদ্যুৎ আসে সেটার অপেক্ষা করতাম। আমি উত্তরবঙ্গের মানুষ। এখন আমার অঞ্চলে শতভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। সারাদেশের হিসাব করলে ৯৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় চলে এসেছে।

সর্বাধিক পঠিত