শিরোনাম
◈ ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি, স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি ◈ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার, যেভাবে মিলবে ◈ বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ মাতারবাড়ী বন্দরকে শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় জাপান, যুক্ত হবে ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল ◈ নুডলস খেয়ে নয় যে কারণে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান ◈ মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে: ডিবি প্রধান ◈ টেকনাফে আবারও সক্রিয় মানবপাচার চক্র, অপহরণ করে সাগরপথে পাচার হচ্ছে মানুষ! ◈ ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করল ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ ◈ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সশস্ত্র বাহিনী গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৩৯ রাত
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন: শিক্ষায় অবহেলাই হলো সকল সমস্যার মূল

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন: সদ্য প্রকাশিত Innovation Index-এ আবার বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার তলানিতে। এবারও ১৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান গতবারের জায়গা অর্থাৎ ১১৬তম স্থানেই আছে। যেখানে ভারত দুই ধাপ এগিয়ে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং-এ ৪৬তম, শ্রীলংকা ৬ ধাপ এগিয়ে ৯৫তম, পাকিস্তান ৮ ধাপ এগিয়ে ৯৯তম আর নেপাল ১৬ স্পট সাজিয়ে ১১১তম। অর্থাৎ অন্যরা এগিয়েছে কিন্তু আমরা এগোইনি এবং যথারীতি দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের শিক্ষার মান ২.৮ শতাংশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার শিক্ষার মান যথাক্রমে ২০.৮ শতাংশ এবং পাকিস্তানের শিক্ষার মান ১১.৩ শতাংশ! আবার ২০২০ সালে CEOWORLD magayine-এর তৈরি পৃথিবীর সেরা এডুকেশন সিস্টেমের একটি ইনডেক্স প্রকাশ করে। সেই ইনডেক্সে ভারতের অবস্থান ৩৩, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৭৭, পাকিস্তানের অবস্থান ৮৩, মিয়ানমারের অবস্থান ৯২ আর আমার প্রাণের বাংলাদেশকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওয়ার্ল্ড নলেজ ইনডেক্সে দক্ষিণ এশিয়ার তলানিতে বাংলাদেশ। আবার রিসার্চ ও ইনোভেশন ইন্ডেক্সেও দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ তলানিতে। অথচ আমাদের কী ভাব? আমরা নাকি উন্নয়নের মহাসড়কে। পৃথিবী নাকি অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখে আর আরও বেশি করে অবাক হয়। ইৎধমমরহম কাকে বলে বিশ্বকে আমরা দেখিয়ে দিচ্ছি!

তাছাড়া বাংলাদেশের কতো মানুষ প্রতিদিন কেবল চিকিৎসার জন্য ভারত যান? শুধু চিকিৎসা বাবত বাংলাদেশ কতো বৈদেশিক মুদ্রা হারাচ্ছে? বাংলাদেশে শিক্ষিত যোগ্য বাংলাদেশি না পাওয়ার কারণে কতো ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে উচ্চ বেতনে চাকরি করে? একমাত্র টয়লেট এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু এরকম দুয়েকটি ক্ষেত্রে নাকি আমরা এগিয়ে। এসব এগিয়ে থাকার পেছনে কতোটা সরকারের অবদান আর কতোটা আমাদের এনজিওর অবদান সেটাও ভেবে দেখবেন। বাংলাদেশের এনজিওদের অবদান সবচেয়ে বেশি হাইজাক হয়েছে। হবে না কেন? যেই দেশে শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ জিডিপির মাত্র ২.২ শতাংশ! যেখানে এটা হওয়ার কথা ন্যূনতম জিডিপির ৫.৫ শতাংশ! তারপরও সবাই চুপ। শিক্ষায় অবহেলাই হলো সকল সমস্যার মূল।

লেখক : শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • সর্বশেষ