প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সিনহা হত্যা মামলার পঞ্চম দফায় আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

আয়াছ রনি: [২] চাঞ্চল্যকর সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় পঞ্চম দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

[৩] শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সাক্ষ বেবী ইসলামকে দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

[৪] কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এর আদালতে উভয় পক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীদের উপস্থিততে আদালতের কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এড. ফরিদুল আলম।

[৫] ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেরিন ড্রাইভ রোডে শামলাপুর এপিবিএন পুলিশের চেকপোস্টে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপের নির্দেশে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

[৬] উল্লেখ্য, সাক্ষী বেবী ইসলাম আংশিক জবানবন্দি গত ২৯ সেপ্টেম্বর গ্রহণ করা হয়। বেবী ইসলাম অবশিষ্ট জবানবন্দী ও জেরা ১০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে দিয়ে জেরা শুরু করেন বলে পিপি জানান।

[৭] কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তাদার এম. নুরুল কবির জানান- ১০ অক্টোবর (আজকে) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য চার্জশীটের ৩০ থেকে ৩৯ নম্বর, ১১অক্টোবর ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর এবং ১২ অক্টোবর ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর সাক্ষীকে সমন দেওয়া হয়েছে।

[৮] সাক্ষীরা যথারীতি আদালতে উপস্থিত থাকলেও আসামীদের পক্ষে সাক্ষীদের দীর্ঘ জেরার কারণে সমন দেওয়া সকল সাক্ষীদের সাক্ষ্য নির্ধারিত দিনে গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান-এপিপি এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ।

[৯] এর আগে চার দফায় এ মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সম্পূর্ণ সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। যাঁরা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তারা হলেন-মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী সাহিদুল ইসলাম সিফাত, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ আমিন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও হাফেজ শহীদুল ইসলাম, আবদুল হামিদ, ফিরোজ মাহমুদ ও মোহাম্মদ শওকত আলী, হাফেজ জহিরুল ইসলাম, ডা. রনধীর দেবনাথ, সেনা সদস্য সার্জেন্ট আইয়ুব আলী, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মোঃ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী, মোক্তার আহমদ, ছেনোয়ারা বেগম, হামজালাল, আলী আকবর ও ফরিদুল মোস্তফা খান,বেবী ইসলাম (আংশিক জবানবন্দি)।

[১০] কারাগারে থাকা ১৫ জন আসামীকে পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়েছে। তারা হলো : পরিদর্শক লিয়াকত আলী, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া। কনস্টেবল সাগর দেব, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ, পুলিশের মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

[১১] এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চার মাসের বেশি সময় ধরে চলা তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষী সহ আলোচিত মামলাটির অভিযোগপত্র দাখিল করেন র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম। ১৫ জনকে আসামি করে দায়ের করা অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত