প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুরক্ষা নিশ্চিতে ৮ সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক : শুক্রবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এফডিসিতে ‘করোনায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে কি না’ এ নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে এসব সুপারিশ তুলে ধরেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। ঢাকাপোস্ট

সুপারিশগুলো হলো

১। স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী কেনার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া।

২। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‌্যাপিড টেস্টের ব্যবস্থা রাখা।

৩। জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইসোলেশন কক্ষসহ অক্সিমিটার ও অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা রাখা।

৪। শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা পরিবহন ব্যবস্থা করা।

৫। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের মেয়াদ কমিয়ে ১০ মাসে সমাপ্ত করা।

৬। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দ্রুত ভ্যাকসিন প্রদান করা।

৭। করোনা আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীর চিকিৎসা খরচ সরকারিভাবে বহন করা।

৮। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ সেল গঠন করা।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চৌধুরী কিরণ বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বেই ২ ডোজ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে পারলে ভালো হতো। তা না হলে শিক্ষা কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সরকারের করোনা খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ ও প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়নি।

তিনি বলেন, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্লাস নেওয়াসহ সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেই। জানা গেছে এ কারণে কোথাও কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ভয়ে কোভিড আক্রান্তের তথ্য গোপন করা হচ্ছে। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দ্রুত করোনার টিকা দেওয়ার ব্যবস্থাসহ মনিটরিং জোরদার করা উচিত। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। গ্রাম পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে করোনা প্রতিরোধ কার্যক্রম ও ভ্যাকসিন প্রদান চালিয়ে যাওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আগামী বছরের মার্চের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে। এছাড়া এর আওতায় থাকবে ১২-১৮ বছর বয়সীরাও। করোনায় আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে চিকিৎসায় সরকারের সহযোগিতা করা উচিত।

উল্লেখ্য, আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। বিচারক ছিলেন, অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক জিনিয়া কবির সূচনা, ফালগুনী রশীদ ও আতাউর রহমান কাবুল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত