প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নিউ ইয়র্ক কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরীতে ‘বাংলা কর্ণার’ উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী

সালেহ্ বিপ্লব: [২] ‘মুজিব বর্ষ’  ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়কের্র উদ্যোগে এবং কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরী’র সহযোগিতায় বাংলা কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। বাসস

[৩] পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন উদ্বোধনী বক্তৃতায় বলেন, ২০২১ সাল বিভিন্ন দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ বছর আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং আজ জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন।

[৪] তিনি বলেন, এ ছাড়াও এ বছর বাংলাদেশের আরেকটি উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হলো- বাংলাদেশ এ বছরই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হতে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবার সকল সূচকে সফলভাবে উর্ত্তীর্ণ হয়েছে।

[৫] তিনি বলেন, সে কারণে এ বছরের এ দিনে ‘বাংলা কর্ণার’ এর  উদ্বোধন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। আমরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছি। আশা করবো, প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিয়ে এই ’বাংলা কর্ণার’-এ আসবেন এবং বই পড়বেন।

[৬] তিনি এই বিশেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত ৩২ টি ভাষণের সংকলণ ও বিশ্লেষণ এবং প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ৭৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির লেখনি সম্বলিত বিশেষ সংকলন কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরীকে উপহার দেন।

[৭] এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন সি. ল্যু, কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট ডোনাভান রিচার্ডস এবং কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরীর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেনিস এম. ওয়ালকট। এ ছাড়াও, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্য এবং সাংবাদিকবৃন্দ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

[৮] যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী কম্যুনিটির সর্ববৃহৎ আবাসস্থল নিউইয়র্কস্থ কুইন্স বোরো যেখানে ইংরেজী, স্প্যানিশ ও চাইনিজ ভাষার পরেই বাংলা চতুর্থ বৃহৎ ভাষা হিসেবে ব্যবহ্নত হয়। সে কারণে উক্ত বোরোতে অবস্থিত কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরীতে ’বাংলা কর্ণার’ উদ্বোধন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ’বাংলা কর্ণার’টিতে সর্বমোট ৩০৯টি বই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়েছে। বইগুলো বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিষয়ে বাংলাদেশের প্রথিতযশা লেখক ও সাহিত্যিকদের লেখা। এছাড়াও, বাংলাদেশের উপন্যাস, গল্পসমগ্রসহ শিশু-কিশোর উপজীব্য বইসমূহ এ কর্ণারে স্থান পেয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত