শিরোনাম
◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন  ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে দুই লাখ টন ডিজেল কিনছে বিপিসি ◈ ইরানের বর্তমান শাসন পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অর্থ আয় করতে পারবে: লিন্ডসে গ্রাহাম ◈ জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, সব ডিসি অফিসে চিঠি ◈ নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়ে ইরানে বিশাল শোভাযাত্রা ◈ তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ◈ ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অসহনীয় বোঝা, কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ◈ সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল, চট্টগ্রামে খালাস শুরু ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:৩৫ সকাল
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি : ঠিক কতোটুকু কষ্টে একজন মানুষ নিজের শেষ সম্বলে আগুন দেয় ভেবেছেন কি?

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি : শওকত নামের একজন পাঠাও চালক নিজের বাইকে আগুন দিয়েছেন, ব্যবসা হারিয়ে যিনি প্রায় ৯ লাখ টাকার দেনায় জর্জরিত ছিলেন। ট্রাফিকের মামলার প্রতিবাদে নিজের বাইকে আগুন দিয়েছেন। অথচ ওটাই ছিলো তার উপার্জনের শেষ সম্বল। ঠিক কতোটুকু কষ্টে একজন মানুষ নিজের শেষ সম্বলে আগুন দেনÑ ভেবেছেন? না, আমার কাজ শওকতের সাফাই গাওয়া না। শওকত ট্রাফিক আইন ভেঙেছেন নাকি ভাঙেননি, সেটাও দেখানো না। কিন্তু আমরা তো জানি, এদেশে ওপরতলার মানুষদের জন্য এক আইন আর নিচেরতলারদের আরেক। আমার কাজ হলো কেবল কষ্টের মাত্রাটুকু দেখানো। ঠিক কোন জায়গায় গেলে উপার্জনের শেষ সম্বল শেষ করে দেয়া যায়? এক বাবা গতবছর দুধ চুরি করতে গিয়ে সুপার শপ স্বপ্নতে ধরা পড়েছিলেন, একজন সন্তানকে লিচু না খাওয়াতে পেরে আত্মহত্যা করেছিলেন। এক বাবা কন্যার ধর্ষণের বিচার না পাবার প্রতিবাদে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। আমরা তখনো কেঁদেছিলাম! কিন্তু কিছু করতে পারি নাই!
আজ কীভাবে পারবো? পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ওপর সুদের হার কমানো হয়েছে, জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। গত এক বছরে এলপি গ্যাসের দামই বেড়েছে তিনবার। এর মধ্যে মুদ্রাস্ফীতিও বেড়েছে। এই পয মধ্যবিত্তরা, যাদের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমে গেছে তারা কমে যাওয়া টাকায় কেমন করে চলবে? অনেক পরিবারতো চলে কেবল সারাজীবনে জমানো টাকা দিয়ে কেনা সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপরই ভর করে। দেশে জাতীয় পেনশন স্কিমও নাই, সুদের হার কমা, মুদ্রাস্ফীতির ফলে আরও কমে যাওয়া সুদের টাকায় সঞ্চয়পত্রের ওপর ভর করা পরিবারগুলার চলবে কীভাবে?

ওই যে হাশেম ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে মরা বাচ্চারা, ওদেরও তো বেতন বাড়ে নাই। ওরা পেতো সাকুল্যে পাঁচ বা ছয় হাজার টাকা! অথচ দেশে নব্য কোটিপতি ছয় হাজার, আমাদের মাথাপিছু আয় আড়াই লাখ টাকা! আমার হিসাব মেলে না, আপনার মেলে? আমি আজকাল হিসাব করি না। আমি হিসাবনিকাশ করা ছেড়ে দিয়েছি। অন্যান্য সব জিনিসের সাথে আশা করি বিষের দামও বাড়বে। কেবল তখন আমাদের পত্রিকাগুলোয় ছাপা হবে না- বিষ কিনতে ব্যর্থ হয়ে ঠিক কয়জন বেঁচে আছে মৃত অবস্থায়! কিন্তু যদি কষ্টের আগুনে, ক্ষোভের আগুনে সবকিছু পুড়তে পারতো, তাহলে আমরা নিজেরাই কি কখনো রক্ষা পেতাম? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়