প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জাফর ওয়াজেদ: জাতীয়সংগীত অবমাননাকাল

জাফর ওয়াজেদ : জাতীয় সংগীতকে খুব অপছন্দ করতেন তাই নয়, অবমাননাও করতেন সুযোগ পেলে। স্বামী করেছেন, স্ত্রীও। অনেক চেষ্টা চরিত্তির করেই ত্রিশ লাখ মানুষের রক্তে পাওয়া সোনার বাংলা গানটি বাঙালি কণ্ঠে তুলে নেয় স্বাধীনতার সংগ্রামকালে। স্বামী ক্ষমতা দখল করে বসার পর চেয়েছিলেন বদলে দেবেন-নতুন গানও সেট করেছিলেন-প্রথম ও শেষ বাংলাদেশ বলে নিজেই হাততালি দিতেন-সঙ্গে মোসাহেবরাও। খরচের খাতায় চলে না গেলে কাজটা করতেন তা বলাই বাহুল্য।
স্মরণ করতে পারি-২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল। বিটিভি ওয়ার্ল্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। ম্যাডাম জিয়া উদ্বোধক। বিটিভির প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল।

তিন পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কোনো অংশেই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়নি। কিন্তু রাজাকার পুনর্বাসনকারী জিয়ার বিএনপি সংগীত প্রথম বাংলাদেশ শেষ করবো বাঙলাদেশ। গানটি প্রচার করা হয়। সেদিন এ নিয়ে বুদ্ধিজীবীদের পান হতে চুন খসেনি- কেউ প্রতিবাদ করেনি সাংস্কৃতিক জোট ছাড়া। একই বছর ‘এ.পি.ইউর’ সম্মেলন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে-নাম যার বদলে জামায়াত-বিএনপি জোট সরকার করে চীন মৈত্রী কেন্দ্র। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত একলাইন বাজার পর ক্যাসেটের ফিতা জড়িয়ে যায়। গান আর বাজে না। তখন যুবদল নেতা আলাল হেড়ে গলায় বিকৃত সুরে গাইলো। এভাবেই তারা মিয়াবিবি রক্তে অর্জিত জাতীয় সংগীতকে অবমাননা করতো। তারা পাকসার জমিন সাদ বাদ গেয়ে জীবন রাঙ্গিয়েছিলো পাকিস্তানে। তারা বাঙালি মানসজাত নয়। লেখক : মহাপরিচালক, পিআইবি। 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত