প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশি নায়িকাদের নিয়ে চিন্তিত কলকাতার অভিনেত্রীরা

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশের তিন গুণী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও আজমেরী হক বাঁধন কলকাতার শোবিজে যুক্ত হয়েছেন। কাজ করে যাচ্ছেন সমান তালে। এই তিন তারকাকে নিয়েন চিন্তিত কলকাতার অভিনেত্রীরা অভিনেত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আর টিভি

‘আবর্ত’ দিয়ে কলকাতায় যাত্রা শুরু করেছিল জয়া আহসানের। তার পর ‘রাজকাহিনী’, ‘বিসর্জন’, ‘বিজয়া’, ‘কণ্ঠ’, ‘বিনিসুতোয়’… জয়ার আরও গোটা তিনেক সিনেমা এখনও মুক্তির অপেক্ষায়। ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’তে বাঁধনের কাজ প্রশংসিত হয়েছে। তাকে নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছেন কলকাতার অনেক পরিচালকই। রাজর্ষি দে পরিচালিত ‘মায়া’, রিঙ্গোর ‘আ রিভার ইন হেভন’-এ রয়েছেন মিথিলা।

এই তিন নায়িকা যে ঘরানার ছবিতে কাজ করছেন, তাতে এর আগে সাধারণত পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রাইমা সেনদের দেখা যেত। মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির চাহিদা কমে যাওয়ায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানেরাও অন্য ধারার ছবির দিকে ঝুঁকেছেন। ফলে অল্প পরিসরে প্রতিযোগিতা বেশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকার ক্ষোভ, এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেওয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।

জয়া অবশ্য এই প্রতিযোগিতা নিয়ে ভাবতে রাজি নন। তার মতে, কাজের সুযোগ সকলেরই আছে। তিনি বলেন, সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা তো ভালোই। আমার মতে শিল্পের কোনও সীমারেখা থাকা উচিত নয়।

শিল্পের আদানপ্রদানের উপরে জোর দিলেন মিথিলাও। তিনি বলেন, কেউ কারও কাজ, জায়গা কেড়ে নিতে পারে বলে মনে হয় না। সকলেই নিজের যোগ্যতা দিয়ে কাজ পাচ্ছেন। আমি বৈবাহিক সূত্রে কলকাতায় থাকছি, তাই এখানেই কাজ করছি এখন। তবে আমি এখানে সদ্য কাজ শুরু করেছি। আমাকে বোধহয় কারও প্রতিযোগী হিসেবে দেখাটা ঠিক হবে না।

মিথিলা মনে করিয়ে দেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকেই বাংলাদেশে গিয়ে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশের প্রজেক্ট ‘কমান্ডো’তে কাজ করেছেন দেব। আবার কলকাতায় গিয়ে একাধিক নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন নুসরত ফারিয়া। অভিনেতারা অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে গিয়ে কাজ করবেন এটা স্বাভাবিক। পাওলি, স্বস্তিকারা যেমন বলিউডে নিয়মিত কাজ করছেন। বড় ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগও বেশি।

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন মনে করেন, এই চর্চাগুলো অভিনেত্রীদের উপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে। ‘‘অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রীরা এসে কাজ করায় টলিউডের কিছু অভিনেত্রীর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আসলে আমাদের সমাজ এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে দেয়। বিশেষ করে মহিলাদের উপরেই বেশি চাপ তৈরি করা হয়। কেন এই চাপগুলো আমাদের নিতে হবে? এগুলো এড়িয়ে সদর্থক দিকগুলো ভাবলে, সকলেরই ভালো হবে। সকলে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন। কথাটা কলকাতা-বাংলাদেশ সব ইন্ডাস্ট্রির নিরিখেই বলছি।’’

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত