শিরোনাম
◈ স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির ◈ পাহাড়ি আম-আনারসসহ কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, চাঁদাবাজি বন্ধে গুরুত্ব সরকারের ◈ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত ◈ দিল্লি পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্ত কেজরিওয়াল-মমতা, আটককে ‘অপহরণ’ বললেন তৃণমূল নেত্রী ◈ সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত বহু যাত্রী; বাতিল বহু ফ্লাইট ◈ আবুধাবি টেস্ট, বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে লড়‌ছে আফগা‌নিস্তান, এখ‌নো ১৩৫ রানে পিছিয়ে ◈ যুক্তরাষ্ট্রে পেনসিলভানিয়ায় বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলি, শিশুসহ নিহত ৯ ◈ ফেসবুকে পরিচয় কে এই রাজু, ১৭ দিনের সম্পর্কের পর কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে কী ঘটেছিল স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি: বাংলাদেশের লাভ কতটা, ঝুঁকি কোথায়?

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:১১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জালাল আহমেদ চৌধুরীর স্মৃতিচারণা- ক্রিকেট শুদ্ধতার বড় দেয়াল ধসে পড়লো

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] দুপুর থেকেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অপেক্ষায় ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার গাজী আশরাফ হোসেন, সাবেক কোচ ওসমান খান, সাবেক ফুটবলার হাসানুজ্জামান বাবলু, ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান মিকু, হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুরসহ ক্রীড়াঙ্গনের অনেকে। অপেক্ষায় ছিলেন সংবাদমাধ্যম কর্মীরাও।

[৩] মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সে প্রিয় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শেষবারের মতো এলেন ক্রিকেট লেখক ও কোচ জালাল আহমেদ চৌধুরী। তবে চিরচেনা হাসিমুখের বদলে নিথর দেহে শুয়ে রইলেন সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায়।

[৪] মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ৭৪ বছর বয়সী এই সাবেক কোচ। দুপরে একদফা জানাজা হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। সেখানে জানাজার পর জালাল আহমেদ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করলেন তার একসময়ের সহকর্মী, সাবেক ক্রিকেটারসহ অনেকে। জালাল আহমেদের দ্বিতীয় দফা জানাজা হবে আজিমপুর ইরাকি মাঠে। এরপর রাতেই হবে আজিমপুর কবরস্থানে তার দাফন।

[৫] ১৯৭৯ সালে জালাল আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে ভারতের পাতিয়ালায় কোচিং কোর্স করতে গিয়েছিলেন কোচ ওসমান খান। প্রিয় মানুষটির চলে যাওয়ায় আজ কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি বলছিলেন, জালাল ভাই বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য যা কিছু করেছেন, তা নিয়ে কোনো প্রতিদান চাননি। উনি টাকাপয়সার লোভী ছিলেন না। সব সময় চিন্তা করতেন ক্রিকেট নিয়ে। জালাল ভাই চলে গেলেন। আমি একা হয়ে গেলাম।

[৬] ক্রিকেটারদের যেভাবে অনুপ্রেরণা দিতেন জালাল আহমেদ চৌধুরী, সেটা কখনোই ভুলবেন না সাবেক ক্রিকেটার গাজী আশরাফ, ১৯৭৮ সালে পাতিয়ালায় যাওয়ার আগে আমাকে একটা খাম দিয়ে গিয়েছিলেন। আমি তখন মাঠে মোহামেডানের ফুটবল খেলা দেখতে এসেছি। এর আগে আমি ওয়ারীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলাম। সেই খামে ছিল একটা চিঠি। যেখানে লেখা, অভিনন্দন, আশা করি, আরও ভালো খেলবে। খামের মধ্যে ছিল ১০০ টাকা। ওই টাকা বড় কিছু না আমার জন্য। কিন্তু যে আবেগ আর ভালোবাসা ছিল, সেটা আমি একা নই, যুগে যুগে সর্বস্তরের সব খেলোয়াড় পেয়ে এসেছে তাঁর কাছ থেকে।

[৭] জালাল আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পরিবারের সবার বড় ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনকে স্নেহের বাঁধনে আগলে রাখতেন সব সময়। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন থেকে জালাল আহমেদ চৌধুরীর অসুস্থতার খবর পেয়ে আজ ঢাকা এসেছেন আবু ওবায়দা চৌধুরী।

[৮] পরিবারের সবার ছোট ওবায়দা চৌধুরী কাঁদতে কাঁদতে স্মৃতিচারণা করলেন বড় ভাইয়ের, ‘উনাকে আদর করে আমরা ময়না বলে ডাকতাম। ভাইয়া বলতাম না। উনি কখনো শাসন করতেন না। ভাবি বেঁচে নেই। সব সময় ফোন করে বলতেন, “কবে আসবি?” ফোনে বলতেন, আজ মিটিং, আজ পিকনিক। এসব গল্পই হতো। আমার ভাইকে যেভাবে মানুষ ভালোবাসে, এটা দেখে আমি মুগ্ধ। প্রথমআলো

  • সর্বশেষ