শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যে গভীর সংকট, সমাধান খুঁজতে এক টেবিলে আরব-ইসলামী দেশগুলো ◈ স্বজনের টানে ঘরমুখো মানুষ, কোথাও যানজট কোথাও স্বস্তি ◈ ঈদ ছুটিতে রাজধানীতে অপরাধের ঝুঁকি, সতর্কতায় জোর পুলিশের ◈ জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা থেকে সরে এলো বিইআরসি ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অংশ নিয়ে সমঝোতা নাগালের মধ্যে ছিল বলে মনে করেছেন যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ◈ দক্ষিণ কোরিয়াকে হা‌রি‌য়ে নারী এশিয়ান কাপের ফাইনালে জাপান  ◈ মে‌হেদী হাসান মিরাজের পক্ষে রায় দিলো এমসিসি ◈ ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতি হ্রাস ও দুর্ভোগ এড়াতে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ ইরান অভিযানে ১৬ মিলিয়ন ডলারের এক ডজনের বেশি রীপারের ড্রোন ধ্বংস, জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা ◈ শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবে সৌদি আরব

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:০৬ সকাল
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:০৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসান শান্তনু : ছাত্রদলের ক্যাডার ইভ্যালির রাসেলকে প্রশ্রয় দিলেন কারা?

হাসান শান্তনু : প্রতারণার ‘প্রতিষ্ঠান’ ই-ভ্যালির মালিক মোহাম্মদ রাসেল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জাবি’ পড়াকালে ছিলেন ছাত্রদলের ভয়ঙ্কর ক্যাডার। জাবির মওলানা ভাসানী হলের ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি, তখন ওই হল শাখার সভাপতি ছিলেন ছাত্রদলের আরেক ক্যাডার নাজমুল হক শাহানশাহ। বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বের চারদলের জোট তখন ক্ষমতায় ছিলো। রাসেল-শাহানশাহ তখন ছিলেন কয়েকটি হলের শিক্ষার্থীদের কাছে আতঙ্কের নাম। রাসেল ছিলেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী। জাবির ভাসানী, কামালউদ্দিন ও বঙ্গবন্ধু হলের আশপাশের দোকানপাটে চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিতেন তারা। হলে ঠিকাদারি, দরপত্রের সময় অস্ত্রসহ মহড়া দিতেন তারা। বিএনপির সংগঠন ছাত্রদলের তখনকার কেন্দ্রীয় সভাপতির গ্রুপে ছিলেন রাসেল।
জাবির বিভিন্ন হলে গাঁজা, নেশার বড়ি বা মাদক বিক্রির ব্যাপক অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। ছাত্রদের হল-রুমে তোলা, ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়া, ফাঁও খাওয়া, ছাত্রলীগের ছেলেদের গেস্টরুমে আটকে নির্দয়ভাবে পেটানোর অভিযোগও আছে। ২০০৯ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সরকার গঠিত হলে রাসেল-শাহানশাহের ‘মানিকজোড়’ ভেঙে যায়। নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত শাহানশাহ পড়ালেখা শেষ না করেই তখন বিদেশে পালিয়ে যান, এখন তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী। একজন দেশ ছাড়লেও ছাত্রদলের আরেক ত্রাস রাসেল আত্মগোপনে চলে যান। একপর্যায়ে রাজনৈতিক ভোল পাল্টে প্রকাশ্যে আসেন তিনি, জাবিতে পড়ালেখাও শেষ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঢাবি’ ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট ‘আইবিএ’ থেকে এমবিএ ডিগ্রি নেন ই-ভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা রাসেল।

রাসেল ২০১১ সালে কর্মজীবন শুরু করেন ঢাকা ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে। ছাত্রদলের নেতা পরিচিতির সুবাদে ও বিএনপির শীর্ষ এক নেতার সুপারিশে তিনি ঢাকা ব্যাংকে চাকরি পান। বেসরকারি ঢাকা ব্যাংকের মালিক হিসেবে পরিচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, অখণ্ড ঢাকা সিটি করপোরেশনের ‘ডিএসসিসি’ সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস। তিনি তখন ব্যাংকটির পরিচালক পদেও ছিলেন। ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে রাসেল ‘কিডস’ ব্র্যান্ডের ডায়াপার আমদানি শুরু করেন। পরে নিয়ে আসেন ই-ভ্যালি, তখনো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এক মন্ত্রী, ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতা ও প্রশাসনের একাংশের সমর্থন, সহযোগিতায় রাসেল ই-ভ্যালির কার্যক্রম এগিয়ে নেন। খুব সহজেই প্রশ্ন আসে- তারা কারা? ছাত্রদলের একসময়ের ক্যাডার রাসেলকে প্রশ্রয় দিলেন কারা? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়