শিরোনাম
◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রেইলার শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ কনটেইনার ডেলিভারি ◈ মিরপুরে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা ◈ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় এজহারভুক্ত আসামী গ্রেফতার মিজানুর রহমান ◈ দেশে চুরি হওয়া ফোন চীনে কিনে সেটি আবার ঢাকায়, প্র'তারিত বহু ব্যবসায়ী (ভিডিও) ◈ নীরবে খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, ২৮ বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন ◈ সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ◈ রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ককটেল সদৃশ বস্তু, ঘিরে রেখেছে এসআরবি-২ দল

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:১৫ রাত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:১৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রেজা ঘটক: বিগত ৫০ বছরে আমরা যেসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হারিয়েছি

রেজা ঘটক : একসময় আমাদের একটা আদমজী পাটকল ছিলো, আমাদের একটি নিউজ প্রিন্ট মিল ছিলো, আমাদের অনেক চিনিকল ছিলো, বিগত ৫০ বছরে আমরা দুঃশাসনের কারণে এসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হারিয়েছি। আশির দশক পর্যন্ত আমাদের একটি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিজ ছিলো। সেই এফডিসি এখন পচা দুর্গন্ধময় একটি রাষ্ট্রীয় বোঝায় পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের জন্য সরকারগুলোর ভুল সিদ্ধান্তই দায়ী। কিছুদিন পর আমাদের বলতে হবে আমাদের একসময় গ্যাস ছিলো, আমাদের পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ছিলো, আমাদের চা বাগান ছিলো, আমাদের রেলওয়ে ছিলো। বাস মালিকদের দৌরাত্মের কারণে আমাদের রেলগাড়ি ও রেললাইন বাড়েনি। রাষ্ট্রীয়ভাবেই রেলের ওপর কখনোই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি কেন? কোনো সরকার এর সঠিক জবাব দিতে পারবে না।

আমাদের একটি দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি ছিলো। সেখানে এখন নাকি হরিণের চাষ হয়। আর আইটি ভিলেজ করা হবে। একটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে বিকল্প প্রতিষ্ঠানের ধারণা যারা দেয়, সেখানে তাদের ভাগ-বাটোয়ারার ব্যাপার স্যাপার জড়িত। পাট, তামাক, চা, চিনি এসব খুব পরিকল্পিতভাবেই ধ্বংস করা হয়েছে। এখন প্রতিবছর কৃষিজমি কমছে। এক সময় আমাদের ধানও থাকবে না। আমরা গার্মেন্টসকে অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়ে এখন কৃষি শ্রমিক হারাচ্ছি। এখন প্রতি বছর ধান কাঁটার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্রদের স্বেচ্ছাশ্রম লাগে। একসময় এই স্বেচ্ছাশ্রমও আর থাকবে না। আমরা তখন বসে বসে মোবাইলে ভেড়েণ্ডা ভাঁজব। কারণ দেশ ডিজিটাল দুনিয়ায় পৌঁছে গেছে।

ডিজিটাল দুনিয়ায় আবার আমাদের একখান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আছে, যেখানে আবার ‘অনুভূতি’ খুব কড়া। যা দিয়ে শত্রু এবং সংখ্যালঘুদের মাঝে মাঝে সায়েস্তা করা হয়। আমাদের একসময় যাত্রাশিল্প ছিলো, গ্রাম থিয়েটার ছিলো, বিশ্বখ্যাত মসলিন ছিলো। সেসবের জায়গায় এখন ওয়াজ দখল নিয়েছে। আমাদের মা-খালারা জীবনেও বোরকা পরেনি। আর এখন স্কুলের মেয়েরা পর্যন্ত গরমের মধ্যে বোরকা পরে। এখন হিসাব করে বলুন তো বাংলাদেশ কতোটুকু এগোলো? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ