শিরোনাম
◈ 'ফ্রি ইমরান খান’ ‌লেখা টি-শার্ট প‌রে মাঠে ঢুকতে বাধা, সিদ্ধান্ত পাল্টালো ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ◈ ৪০ দিনের ছুটি শেষ, রোববার খুলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ আজ বসছে জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:১৫ রাত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:১৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রেজা ঘটক: বিগত ৫০ বছরে আমরা যেসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হারিয়েছি

রেজা ঘটক : একসময় আমাদের একটা আদমজী পাটকল ছিলো, আমাদের একটি নিউজ প্রিন্ট মিল ছিলো, আমাদের অনেক চিনিকল ছিলো, বিগত ৫০ বছরে আমরা দুঃশাসনের কারণে এসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হারিয়েছি। আশির দশক পর্যন্ত আমাদের একটি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিজ ছিলো। সেই এফডিসি এখন পচা দুর্গন্ধময় একটি রাষ্ট্রীয় বোঝায় পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের জন্য সরকারগুলোর ভুল সিদ্ধান্তই দায়ী। কিছুদিন পর আমাদের বলতে হবে আমাদের একসময় গ্যাস ছিলো, আমাদের পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ছিলো, আমাদের চা বাগান ছিলো, আমাদের রেলওয়ে ছিলো। বাস মালিকদের দৌরাত্মের কারণে আমাদের রেলগাড়ি ও রেললাইন বাড়েনি। রাষ্ট্রীয়ভাবেই রেলের ওপর কখনোই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি কেন? কোনো সরকার এর সঠিক জবাব দিতে পারবে না।

আমাদের একটি দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি ছিলো। সেখানে এখন নাকি হরিণের চাষ হয়। আর আইটি ভিলেজ করা হবে। একটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে বিকল্প প্রতিষ্ঠানের ধারণা যারা দেয়, সেখানে তাদের ভাগ-বাটোয়ারার ব্যাপার স্যাপার জড়িত। পাট, তামাক, চা, চিনি এসব খুব পরিকল্পিতভাবেই ধ্বংস করা হয়েছে। এখন প্রতিবছর কৃষিজমি কমছে। এক সময় আমাদের ধানও থাকবে না। আমরা গার্মেন্টসকে অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়ে এখন কৃষি শ্রমিক হারাচ্ছি। এখন প্রতি বছর ধান কাঁটার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্রদের স্বেচ্ছাশ্রম লাগে। একসময় এই স্বেচ্ছাশ্রমও আর থাকবে না। আমরা তখন বসে বসে মোবাইলে ভেড়েণ্ডা ভাঁজব। কারণ দেশ ডিজিটাল দুনিয়ায় পৌঁছে গেছে।

ডিজিটাল দুনিয়ায় আবার আমাদের একখান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আছে, যেখানে আবার ‘অনুভূতি’ খুব কড়া। যা দিয়ে শত্রু এবং সংখ্যালঘুদের মাঝে মাঝে সায়েস্তা করা হয়। আমাদের একসময় যাত্রাশিল্প ছিলো, গ্রাম থিয়েটার ছিলো, বিশ্বখ্যাত মসলিন ছিলো। সেসবের জায়গায় এখন ওয়াজ দখল নিয়েছে। আমাদের মা-খালারা জীবনেও বোরকা পরেনি। আর এখন স্কুলের মেয়েরা পর্যন্ত গরমের মধ্যে বোরকা পরে। এখন হিসাব করে বলুন তো বাংলাদেশ কতোটুকু এগোলো? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়