প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিরাজুম মুনির:  ১৯২৮ সালে স্কটল্যান্ডের এই চিকিৎসাবিজ্ঞানী প্রায় আকস্মিকভাবেই আবিষ্কার করেন ‘অ্যান্টিবায়োটিক’

সিরাজুম মুনির : আমরা জানি, মানুষ মাধ্যম মাত্র। সৃষ্টিকর্তা সবকিছুর মূলে আছেন, থাকবেন সবসময়ই। চিন্তা করি বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কী দুর্দান্ত এক মাধ্যম হয়েই না এসেছিলেন মানবজাতির জন্য। ১৯২৮ সালে স্কটল্যান্ডের এই চিকিৎসাবিজ্ঞানী প্রায় আকস্মিকভাবেই আবিষ্কার করেন অ্যান্টিবায়োটিক। তিনি লক্ষ্য করেন, পেনিসিলিয়াম নোটেটাম নামের এক ছত্রাক থেকে তৈরি মোল্ড জুস স্টেফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কালচার প্লেটে যোগ করলে সেই ব্যাকটেরিয়া আর বংশবৃদ্ধি করতে পারছে না।

শুধু তা-ই নয়, এই জুস কালচার প্লেটে একটি ব্যাকটেরিয়ামুক্ত এলাকা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। এই জিনিসটির নাম তিনি দিলেন পেনিসিলিন। এভাবেই জীবাণুর বিরুদ্ধে মানুষের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হয়ে উঠলো অ্যান্টিবায়োটিক। এই আবিষ্কারের জন্য ফ্লেমিং ১৯৪৪ সালে নাইট উপাধি পান, নোবেল পুরস্কার পান ১৯৪৫ সালে। পরের বছরগুলোতে তাঁরই দেখানো পথ ধরে আবিস্কৃত হয় আরও নানা অ্যান্টিবায়োটিক। এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলো মূলত দুভাবে কাজ করে। কেউ কেউ ব্যাকটেরিয়া কোষের দেয়ালকে নষ্ট করে দিয়ে তাকে মেরে ফেলে, আবার কেউ কেউ ব্যাকটেরিয়াকে মারতে না পারলেও তার বিপাকক্রিয়াকে প্রতিহত করে ডিএনএ বিভাজনকে রোধ করে দেয়। ফলে ওই ব্যাকটেরিয়া আর বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের আগে রোগজীবাণুর হাতে মানুষের মৃত্যু ছিলো সাধারণ ঘটনা। কলেরা, ডায়রিয়া, প্লেগ, ঘা, নিউমোনিয়া ইত্যাদি সংক্রমণে উজাড় হয়ে যেত জনপদ। একের পর এক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার এসব সংক্রামক ব্যাধিকে হটিয়ে দিতে শুরু করে। বাড়তে শুরু করে মানুষের আয়ু। মানুষ জয়ী হতে শুরু করে জীবাণুজগতের বিরুদ্ধে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত