শিরোনাম
◈ রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ৩-২ ব্যবধানে কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা ◈ রপ্তানির প্রধান খাতে ধাক্কা, কমেছে পোশাক শিল্পের বৈদেশিক আয় ◈ ট্রাম্প কি বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে পারবেন? সমর্থকদের জল্পনা ◈ অবশেষে দেড় লাখ টাকায় মীমাংসা, ১২ দিন অনশনের শেষে প্রেমিকের বাড়ি ছাড়লেন নুসরাত! ◈ শেরওয়ানির জন্য আড়াই ঘণ্টা ফ্লাইট আটকে রাখলেন বিমান কর্মকর্তা, ভোগান্তিতে শতাধিক যাত্রী ◈ এডিপিতে প্রকল্পের জট বাড়ছেই, সময় ও ব্যয় দুটোই ঊর্ধ্বমুখী ◈ বিশ্বকাপের খেলা ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, বড় স্ক্রিনে থাকবে পুলিশের নজর ◈ বাংলাদেশ-চীন ঘনিষ্ঠতায় নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল ◈ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালেমাখচিত পতাকা মিছিল, নেপথ্যে কী? ◈ মারামারি নয়, ‌বিশ্বকা‌পের খেলা উপভোগ করুন : বাংলা‌দে‌শি ভক্ত‌দের শান্তির বার্তা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতের

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৯ রাত
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালিদ খলিল: আবিষ্কার : ভায়াগ্রা এবং এক্স-রে

খালিদ খলিল: প্রত্যেক আবিষ্কারকই একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে গবেষণা চালান। তিনি কি আবিষ্কার করতে যাচ্ছেন এবং তা করতে তার কী কী উপাদান লাগতে পারে, সেটা আগে থেকেই চিন্তা ভাবনা করে রাখেন। যদিও সব ক্ষেত্রে একজন উদ্ভাবক সফলতা পান না; তবু তিনি কী আবিষ্কার করতে যাচ্ছেন তা তার কাছে স্পষ্ট এবং সেই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, পৃথিবীতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আবিষ্কৃত হয়েছে, যা আসলে আবিষ্কার করতে চাননি আবিষ্কারক। যা হওয়ার তা হয়েছে দুর্ঘটনাবশত।

[১] ভায়াগ্রা : ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি ফাইজারের অধীনে ইংল্যান্ডের ওয়েলসে একদল গবেষক ১৯৮৫ সাল থেকে এনজাইনা (বুকে ব্যথা) ও হাইপার টেনশনের অধিক কার্যকরী ওষুধ আবিষ্কারের লক্ষ্যে গবেষণা চালিয়ে আসছিলেন। ১৯৯২ সালে তারা একটি নতুন ওষুধ আবিষ্কার করেন এবং পরীক্ষা চালানোর সময় তারা দেখতে পান, এনজাইনার ক্ষেত্রে এটি খুব অল্প কাজ করলেও দ্রুত লিঙ্গ উত্থানে এটি কাজ করছে। বিষয়টি গবেষকদের কাছে সম্পূর্ণ অভাবনীয় হলেও ততোক্ষণে ওষুধ শিল্পের অন্যতম বৈপ্লবিক আবিষ্কারটি তারা করে ফেলেন এবং এখন সারাবিশ্বে যৌন সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে গবেষকদের ভুলে আবিষ্কার হওয়া এ ওষুধটি।

[২] এক্স-রে : ক্যাথোড রে আবিষ্কার হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু গবেষকরা তখনও জানতেন না এটি ব্যবহার করে মানবদেহের কঙ্কালের ছবি তোলা সম্ভব। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ উইলহেম রঞ্জন কালো কার্ডবোর্ডে ঢাকা গ্লাস টিউবে ক্যাথোড রশ্মি চালিয়ে পরীক্ষা করছিলেন। মূলত তার উদ্দেশ্য ছিল গ্লাস থেকে ক্যাথোড রে বের হয় কিনা তা দেখার জন্য। কিন্তু এ সময় তিনি লক্ষ্য করেন, যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন তার কয়েক ফুট দূরে একধরনের আলোক রশ্মি দেখা যাচ্ছে। তিনি ধারণা করলেন কার্ডবোর্ড কোথাও ফেটে গিয়ে হয়তো আলো বের হচ্ছে। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখলেন, কার্ডবোর্ড ফেটে নয় বরং কার্ডবোর্ড ভেদ করে রশ্মি বের হচ্ছে। হঠাৎ তার মাথায় এলো, যে রশ্মি কার্ডবোর্ড ভেদ করতে পারছে তা মানবদেহ কেন পারবে না। তার স্ত্রীর হাত সামনে রেখে পরীক্ষা চালালেন এবং প্রথম কেউ না কেটেই মানবদেহের কঙ্কালের ফটোগ্রাফিক ইমেজ তৈরিতে সক্ষম হলেন। পরে তিনি এর নাম দেন এক্স-রে। অনেকে অবশ্য একে তার নাম অনুসারে রঞ্জন রশ্মি নামেও ডাকে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়