শিরোনাম
◈ ইরান সংঘাত নিয়ে চাপে ট্রাম্প, যুদ্ধ শেষের পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা: ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন ◈ আপাতত জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ◈ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ◈ জামিন করাতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে: চিফ প্রসিকিউটর ◈ স্কুল-কলেজ কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করল সরকার ◈ এফএ কা‌পের সে‌মিফাইনা‌লে ওঠার লড়াই‌য়ে মুখোমুখি ম‌্যান‌চেস্টার সিটি ও লিভারপুল ◈ উ‌য়েফা চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গে রা‌তে বার্সেলোনার বিরু‌দ্ধে খেল‌বে নিউক্যাসল ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের উপদেষ্টার পদায়ন চান জামায়াতের আমির ◈ ঈদের ছুটিতেও খোলা থাকবে কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন ◈ ইরান যুদ্ধ থেকে ‘প্রস্থানের পথ’ খুঁজছে ইসরায়েল: ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৯ রাত
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালিদ খলিল: আবিষ্কার : ভায়াগ্রা এবং এক্স-রে

খালিদ খলিল: প্রত্যেক আবিষ্কারকই একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে গবেষণা চালান। তিনি কি আবিষ্কার করতে যাচ্ছেন এবং তা করতে তার কী কী উপাদান লাগতে পারে, সেটা আগে থেকেই চিন্তা ভাবনা করে রাখেন। যদিও সব ক্ষেত্রে একজন উদ্ভাবক সফলতা পান না; তবু তিনি কী আবিষ্কার করতে যাচ্ছেন তা তার কাছে স্পষ্ট এবং সেই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, পৃথিবীতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আবিষ্কৃত হয়েছে, যা আসলে আবিষ্কার করতে চাননি আবিষ্কারক। যা হওয়ার তা হয়েছে দুর্ঘটনাবশত।

[১] ভায়াগ্রা : ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি ফাইজারের অধীনে ইংল্যান্ডের ওয়েলসে একদল গবেষক ১৯৮৫ সাল থেকে এনজাইনা (বুকে ব্যথা) ও হাইপার টেনশনের অধিক কার্যকরী ওষুধ আবিষ্কারের লক্ষ্যে গবেষণা চালিয়ে আসছিলেন। ১৯৯২ সালে তারা একটি নতুন ওষুধ আবিষ্কার করেন এবং পরীক্ষা চালানোর সময় তারা দেখতে পান, এনজাইনার ক্ষেত্রে এটি খুব অল্প কাজ করলেও দ্রুত লিঙ্গ উত্থানে এটি কাজ করছে। বিষয়টি গবেষকদের কাছে সম্পূর্ণ অভাবনীয় হলেও ততোক্ষণে ওষুধ শিল্পের অন্যতম বৈপ্লবিক আবিষ্কারটি তারা করে ফেলেন এবং এখন সারাবিশ্বে যৌন সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে গবেষকদের ভুলে আবিষ্কার হওয়া এ ওষুধটি।

[২] এক্স-রে : ক্যাথোড রে আবিষ্কার হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু গবেষকরা তখনও জানতেন না এটি ব্যবহার করে মানবদেহের কঙ্কালের ছবি তোলা সম্ভব। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ উইলহেম রঞ্জন কালো কার্ডবোর্ডে ঢাকা গ্লাস টিউবে ক্যাথোড রশ্মি চালিয়ে পরীক্ষা করছিলেন। মূলত তার উদ্দেশ্য ছিল গ্লাস থেকে ক্যাথোড রে বের হয় কিনা তা দেখার জন্য। কিন্তু এ সময় তিনি লক্ষ্য করেন, যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন তার কয়েক ফুট দূরে একধরনের আলোক রশ্মি দেখা যাচ্ছে। তিনি ধারণা করলেন কার্ডবোর্ড কোথাও ফেটে গিয়ে হয়তো আলো বের হচ্ছে। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখলেন, কার্ডবোর্ড ফেটে নয় বরং কার্ডবোর্ড ভেদ করে রশ্মি বের হচ্ছে। হঠাৎ তার মাথায় এলো, যে রশ্মি কার্ডবোর্ড ভেদ করতে পারছে তা মানবদেহ কেন পারবে না। তার স্ত্রীর হাত সামনে রেখে পরীক্ষা চালালেন এবং প্রথম কেউ না কেটেই মানবদেহের কঙ্কালের ফটোগ্রাফিক ইমেজ তৈরিতে সক্ষম হলেন। পরে তিনি এর নাম দেন এক্স-রে। অনেকে অবশ্য একে তার নাম অনুসারে রঞ্জন রশ্মি নামেও ডাকে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়