শিরোনাম
◈ ব্যাংকে আমানতের সুদ কমছে, সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখলে নিরাপদ ও বেশি লাভ? ◈ সৌদি আরবে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকা যাচাই করছে সরকার ◈ সাজেকে অবরোধ-সহিংসতায় পর্যটন ব্যবসায় ধসের শঙ্কা, পর্যটকশূন্য ভ্যালিতে ৭৬ কোটি টাকার ব্যবসা নিয়ে শঙ্কা! ◈ মাতারবাড়ীতে কয়লার ছাই ফেলার জমিতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ, অর্থায়ন করবে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক ◈ আসামি নিয়ে ফেরার পথে কালীগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের চাপায় এসআই ও বিএনপি নেতা নিহত ◈ আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমে নতুন দর যা হল ◈ ইউরোপের অস্থিরতায় নতুন সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প, রফতানি কমেছে ১১.৬৭ শতাংশ ◈ তিন দিন বন্ধ থাকবে থাইল্যান্ডের ই-ভিসা আবেদন, জানাল দূতাবাস ◈ স্থানীয় নির্বাচনে জয় পেতে মরিয়া বিএনপি ◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:৩৭ বিকাল
আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:৫২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বন্ধের পথে গাজীপুরের শতাধিক বইয়ের দোকান

এ.এইচ.সবুজ: [২] মহামারি করোনাভাইরাসের পূর্ববর্তী সময়ের মতো চিরচেনা ব্যস্ততা নেই গাজীপুরের বইয়ের মার্কেটে। জেলা শহরের জয়দেবপুর রাজবাড়ি রোডের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের বইয়ের দোকানগুলোতেও বর্তমানে নিস্তব্ধ ও নিরবতা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকান খুলে বসে থেকেও দেখা মিলছেনা প্রত্যাশিত ক্রেতার।

[৩] আঠারো (১৮) মাস আগেও যেখানে ছিলো প্রত্যাশিত ক্রেতা ও ব্যবসা ছিলো জমজমাট। সেই ব্যবসায় করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়ায় পুঁজি হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে গাজীপুরের লাইব্রেরী ব্যবসায়ীদের। গত বছরের ১৮ মার্চ থেকে করোনার কারণে এ দীর্ঘসময় পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এমন দুর্বিসহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঋন ও দোকানের সকল ধরণের খরচ মেটাতে না পারায় অনেকেই ব্যবসা গুটিয়ে ফেলার চিন্তা করছেন। যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুতই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খুলে দেয়, তাহলে ব্যবসায়ীদের এমন পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না বলে মনে করেন তারা।

[৪] এ বিষয়ে জানতে চাইলে জয়দেবপুর শহরের রাজবাড়ি রোডের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের অনার্স মাষ্টার্স লাইব্রেরীর পরিচালক মো. সানি জানান, করোনার কারণে আমাদের এই ব্যবসা নিয়ে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে। স্কুল, কিন্ডারগার্টেন, কলেজ, মাদরাসা গুলো খোলা থাকলে আমাদের ব্যবসা সচল থাকতো।

[৫] এন.আই.ভূঞাঁ স্টোরসহ শহরের জোড়পুকুর পাড় এলাকার অক্ষর লাইব্রেরী, সোনার বাংলা লাইব্রেরী, আফনান লাইব্রেরী ও বই জগত লাইব্রেরীর মালিকরা জানান, এই মহামারি করোনায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের ব্যবসা। দ্রুতই স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসাসহ অন্যান্য শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান খুলে না দিলে আমাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে এবং পথে বসার উপক্রম হবে। এই খারাপ সময়ে আমাদের পাশে কেউ নেই।

[৬] গাজীপুর চৌরাস্তা ইকরা লাইব্রেরীর পরিচালক ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন জানান, আমাদের সমিতির অধিনে প্রায় ৪ শতাধিক পুস্তক ব্যবসায়ী রয়েছেন। করোনা মহামারিতে আমাদের ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। এর মধ্যে প্রায় শতাধিক লাইব্রেরী বন্ধের পথে।

[৭] করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সমিতির পক্ষ থেকে কোনও ধরনের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে কিনা-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো জানান, আমাদের কেন্দ্রীয় সংগঠন থেকে আমরা কোনও ধরণের প্রনোদনা বা সহযোগিতা পাইনি। তবে আমরা আমাদের জেলা শাখা থেকে গত বছর করোনাকালীন সময়ে প্রায় ১’শ জন পুস্তক ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিত্য-প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সম্পাদনা: সঞ্চয় বিশ্বাস

 

  • সর্বশেষ