প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিশোর গ্যাং: বড়দের আশকারায় ছোটরা ভয়ংকর

নিউজ ডেস্ক: শরীর প্রায় পুরোটাই মোড়ানো সাদা ব্যান্ডেজে। বুকের নিচে ছুরিকাঘাতের গভীর ক্ষত নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডে মাঝেমধ্যেই চিৎকার করে উঠছিল কিশোর সোহানুর রহমান সোহান। কে তাকে ছুরি মেরেছে জানতে চাইলে সোহানের বাবা ইকবাল হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। আপনার ছেলেকে কেন টার্গেট করল—প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জানি না, তয়, আমার পোলার কোনো দোষ নাই, যারা মারছে তারা খারাপ ছেলে।’ কালের কণ্ঠ

সারা দেশে, বিশেষত রাজধানী ঢাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই রাজধানীর কোনো না কোনো এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডবের শিকার হচ্ছে কেউ না কেউ। অপরাধ বিশ্লেষকরা মনে করেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে দুর্নীতি, অপরাধ ও অপরাধের নানা উপাদান রয়েছে, কিশোররা তার বাইরে নয়। পারিবারিক বন্ধন ভেঙে পড়া, কিশোরদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ না থাকার কারণেই থামানো যাচ্ছে না এই গ্যাং কালচার।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তারা ২৩০ জনের একটি তালিকা করেছে। ওই তালিকা ধরে তাদের আইনের আওতায় আনতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু বখাটে কিশোরদের নিয়ন্ত্রণই নয়, তাদের অভিভাবকদেরও জবাবদিহির মধ্যে আনার চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও থানা পুলিশের মাধ্যমে এলাকায় উঠান বৈঠক করে এই সামাজিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মুহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মহামারি করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা কিশোর গ্যাং নিয়ে বেশ চাপের মধ্যে আছি। কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণই এখন বড় চ্যালেঞ্জ মনে হচ্ছে। তালিকাভুক্ত ২৩০ কিশোর গ্যাং সদস্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে হয়তো সার্বিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে।’ তিনি বলেন, যেহেতু এটি একটি সামাজিক সমস্যা, তাই এদের নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কাজ করলে হবে না, অভিভাবকদের দায়িত্বটাই বেশি। তাঁর মতে ‘আমার সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, কার সঙ্গে ওঠাবসা করছে—এটা যদি পরিবার থেকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা না করা হয়, তাহলে পুলিশের পক্ষে এগুলো ঠেকানো খুবই কঠিন।’

কিশোরদের মধ্যে অপরাধ নতুন না হলেও পুলিশ সদর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, সংঘবদ্ধভাবে কিশোরদের অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি তাদের নজরে আসে ২০১২ সালে। ওই বছর সারা দেশে ৪৮৪ মামলায় আসামি ছিল ৭৫১ শিশু-কিশোর। ২০১৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা দেশেই কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বাড়ছে। এরপর গত প্রায় পাঁচ বছরেও কিশোর গ্যাংগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। বরং দিনকে দিন তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ সারা দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে গত ১১ জানুয়ারি এক বৈঠকে বলেছিলেন, ‘পুলিশের জন্য এই কিশোর গ্যাং বা কিশোর অপরাধীরাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন।’

কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের গত বছরের শেষের দিকের তথ্য অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত দেশে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রগুলোতে যেসব কিশোর ছিল, তাদের মধ্যে ২০ শতাংশ হত্যা মামলার আসামি। আর ২৪ শতাংশ নারী-শিশু নির্যাতন ও মাদক মামলার আসামি। বর্তমানে তা বেড়ে দিগুণ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে সিনিয়র-জুনিয়রের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে সোহানসহ তিন শিক্ষার্থী আহত হয়। এলাকার রায়হান, ইমন, রাকিবসহ অন্তত ১৫ কিশোর এ ঘটনার জন্য দায়ী। ওই এলাকায় তিনটি কিশোর গ্যাং রয়েছে। এসব গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছে স্থানীয় রাতুলসহ বেশ কয়েকজন ‘বড় ভাই’।

দারুসসালাম থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘থুথু দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই (তরুণ) বন্ধুর মধ্যে বচসা, পরে ছুরিকাঘাতের মাধ্যমে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। এ ঘটনায় ১৫ কিশোরকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে কেউ কাউকে মানে না। অভিভাবকরাও তাঁদের সন্তানকে ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। আমরা নিয়মিত বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অভিভাবকদের পাশাপাশি তরুণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। এর পরও শুধু পুলিশের পক্ষে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সমাজের সবার দায় আছে।’

অভিভাবকরা ও জনপ্রতিনিধিরা যা বলেন : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইসমাইল মোল্লা বলেন, ‘এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন কিশোর অপরাধীরা। সেটা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’ কেন এখনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে কিশোর-তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তাদের ভালো করতে অভিভাবকদের দায় সবচেয়ে বেশি। আবার কিছু বিষয়ের জন্য আমরাও অনেকাংশে দায়ী। সেটা হলো এলাকায় খেলার মাঠ নেই। সুস্থ সংস্কৃতিচর্চাও নেই। এগুলো থাকলে কিশোর তরুণরা সেদিকে সময় দিলে এত সমস্যা তৈরি হতো না।’

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাজধানীর উত্তরায় ডিসকো বয়েজ ও নাইট স্টার গ্রুপের অন্তর্দ্বন্দ্বে ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মূলত আলোচনায় আসে কিশোর গ্যাং। ডিএমপি সূত্র মতে, বর্তমানে সর্বত্র কিশোর গ্যাংয়ের আলাদা গ্রুপ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি। ডিএমপির তালিকা অনুযায়ী আটটি বিভাগে (ক্রাইম ডিভিশন) বর্তমানে ১১টি কিশোর গ্যাং গ্রুপে ২৩০ জন সদস্য রয়েছে। যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এর মধ্যে রমনা বিভাগের ছয়টি থানা এলাকায় সাতটি কিশোর গ্যাং গ্রুপে ৬৯ জন রয়েছে। গ্রুপের নাম—বেইলী কিং, রন, বন, আকাশ, বিকাশ, লাভলেন, বাংলা, ফাহাদ ও ইয়াসিন গ্রুপ। এলাকায় ধর্ষণ থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ড ও মাদক কারবারেও কিশোরদের নাম উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে তাদের নামে ১৪টি মামলা রয়েছে।

কিশোর গ্রুপে একজন করে বড় ভাই রয়েছে। রাজধানীর লালবাগ বিভাগের ছয়টি থানা এলাকায় একাধিক গ্রুপ থাকলেও ইয়ামিন গ্রুপের ১১ সদস্য সাধারণ মানুষের জন্য চরম সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। এই গ্রুপের বিরুদ্ধে কয়েকটি থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। এরা এখন পুরান ঢাকার বড় সন্ত্রাসী। এলাকার লোকজন জানায়, এই গ্রুপের সদস্যরা সবাই মাদক কারবারে জড়িত। দুজন বড় ভাই তাদের নিয়ন্ত্রণ করছে।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুরসহ ছয়টি থানা এলাকায় অন্তত ১১টি ছোট-বড় গ্রুপ থাকলেও রবিন গ্রুপের আট সদস্য নিয়ন্ত্রণ করছে বিভিন্ন এলাকা। মোহাম্মদপুরের প্রতিটি এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়েছে। উত্তরা বিভাগের ছয়টি থানা এলাকায় একাধিক গ্রুপ রয়েছে। সবার সামনে রয়েছে বিগ বস গ্রুপের ৫৫ সদস্য। এদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। রবিন গ্রুপে চারজন বড় ভাই রয়েছে।

মিরপুর বিভাগের সাতটি থানা এলাকার মধ্যে জীবন গ্রুপের ১০ সদস্য রয়েছে। ওয়ারী বিভাগের ছয়টি থানা এলাকাতেও একাধিক গ্রুপে ৭৯ জন রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে। মতিঝিলে সাতজনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা এবং গুলশানে একটি গ্রুপের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে।

পুলিশের এই তালিকার বাইরেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কিশোর অপরাধী গ্রুপ সক্রিয় থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ফাইভ স্টার, পাওয়ার নাইন স্টার, বয়েজ, ডিসকো বয়েস, এফএইচবি, বিগ বস, নাইন এমএম বয়েস, এনএনএস, জিইউ, ক্যাকরা, ডিএইচবি, তুফান, ব্ল্যাক রোজ, রনো, কে-নাইন, ফিফটিন গ্যাং, সুজনা ফাইটার, আলতাফ জিরো, ভাইপার, থ্রি গোল, শাহীন-রিপন, নামিজ উদ্দিন গ্যাং, বিহারি রাসেল গ্যাং, পোটলা বাবু, বিচ্চু বাহিনী, পিচ্চি বাবু, সাইফুল গ্যাং ও ক্যাসল বয়েজ অন্যতম। গত কয়েক মাসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অর্ধশতাধিক সদস্য আটক হলেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। আগের মতোই মোটরসাইকেলে বখাটেপনা, মাদক কারবার, হত্যা, ইভ টিজিংসহ নানা অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে গ্যাং সদস্যরা।

তবে ঢাকার মতো দেশের অন্যত্র কিশোর অপরাধীরা অতটা বেপরোয়া হয়ে ওঠেনি। কারণ হিসেবে জানা গেছে, জেলা, থানা ও গ্রাম এলাকায় কিছুটা হলেও মুরব্বিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তাদের সন্তানরা।

সাম্প্রতিক ঘটনা: গত ২৪ মে ঢাকার আশুলিয়ার নাখালপাড়া এলাকায় মসজিদের খাদেম নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ ঘটনায় ২৭ জুন র‌্যাব দুজনকে গ্রেপ্তার করে। গত ২৭ মে রাজধানীর কদমতলীতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে আরাফাত ইয়াছিনকে (১৮) কুপিয়ে হত্যা করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। গত ২৭ জুলাই রাজধানীর কদমতলীতে এক পোশাক শ্রমিককে কিশোর-তরুণরা দলবেঁধে ধর্ষণ করে। ৪ জুলাই রাজধানীর বাসাবো এলাকায় দুই তরুণের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করে। ২১ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর থেকে কিশোর গ্যাংয়ের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৯ মার্চ রাজধানীর সূত্রাপুরে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে অনন্ত নামের এক কিশোর খুন হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বনানীতে কিশোরদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছুরিকাঘাতে শাকিল নামে এক কিশোর নিহত হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মুগদা এলাকার এক বড় ভাইকে সালাম না দেওয়ায় হাসান নামের এক কিশোরকে খুন করা হয়। ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় বেড়াতে আসাদের উত্ত্যক্তকারী ৫৫ জন এবং ১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর হাতিরঝিল লেক ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো ৩১ জনকে আটক করে পুলিশ। ৮ জানুয়ারি কামরাঙ্গীর চরে গায়ে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে সিফাত নামের এক কিশোরকে অন্য কয়েকজন কিশোর খুন করে। ১০ অক্টোবর কামরাঙ্গীর চরে ছুরিকাঘাতে শয়ন হাছান (১৭) নিহত হয়।

র‌্যাবের গত বছরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত র‌্যাবের হাতে ২৮২ জন কিশোর অপরাধী গ্রেপ্তার হয়। এরপর এ পর্যন্ত আরো অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীতে হওয়া ৩৬৩টি ছিনতাইয়ের নেপথ্যেও ছিল কিশোর অপরাধীরা। প্রায় একই চিত্র ঢাকার বাইরেও।

ঢাকার শিশু আদালতের গত বছরের এক নথি অনুযায়ী, আগের ১৫ বছরে রাজধানীতে কিশোর-তরুণদের ছোট-বড় দ্বন্দ্বে ৮৬টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। আর পুলিশের তথ্য মতে, গত ১৭ বছরে ঢাকায় কিশোর অপরাধীদের হাতে ১২০ জন খুন হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে সজীব, বগুড়া ও নারায়ণগঞ্জে আরো দুই কিশোরসহ অন্তত ৫৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে।

বিশ্লেষকরা যা বলছেন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি, সহকারী অধ্যাপক খন্দকার ফারজানা রহমান বলেন, ‘যত দিন কিশোরদের আমরা সৃজনশীল কাজের মধ্যে এনে ইতিবাচক পরিবর্তন করতে না পারব তত দিন পর্যন্ত কিশোর গ্যাং নির্মূল করা সম্ভব হবে না।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্সের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মূলত পরিবার ব্যবস্থা, সমাজ, রাষ্ট্র এসব কিছুই কিশোর গ্যাং কালচার তৈরির উপাদান হিসেবে কাজ করে। এই গ্যাং নির্মূলের বিষয়ে তিনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষকের ভূমিকায় সমাজের কিছু বড় ভাই থাকে। তাদের আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর থাকতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত