প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মিডিয়া ট্রায়াল ও অপপ্রচারের কারণে শিল্পীদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে: টিভি শীর্ষ ৪ সংগঠন

 মনিরুল ইসলাম ঃ [২] আইনি বা প্রশাসনিক কারণে কোনো শিল্পীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন টেলিভিশনের শীর্ষ ৪ সংগঠনের নেতারা।
[৩] ‘শিল্পীর মর্যাদা এবং শিল্পের স্বাধীনতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এই আহ্বান জানান তাঁরা।
[৪] সাম্প্রতিক বেশ কিছু ইস্যুতে খবরের আলোচনায় সংস্কৃতিকর্মীরা। এই ইস্যুগুলো নিয়ে কথা বলতেই শিল্পকলা একাডেমিতে শুত্রুবার জড়ো হন টেলিভিশন মিডিয়ার কলাকুশলী ও শীর্ষ নেতারা। বৈঠকটির আয়োজন করে টেলিপ্যাব, ডিরেক্টরস গিল্ড, অভিনয় শিল্পী সংঘ এবং টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ।
[৫] বৈঠকে শিল্পীর মর্যাদা রক্ষা এবং শিল্পীকে স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে রাষ্ট্র, গণমাধ্যম ও সামাজিক সব সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তাঁরা। গণমাধ্যমে ‘চটুল সংবাদ’ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বহীন প্রচারের মাধ্যমে বিচারের আগেই শিল্পীদের মিডিয়া ট্রায়াল হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, মিডিয়া ট্রায়াল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপপ্রচারের কারণে শিল্পীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সামাজিকভাবে তাঁরা অবমাননার শিকার হচ্ছেন।
[৬] বৈঠকে আরও বলা হয়, বিনোদন দেওয়ার পাশাপাশি মানবিক বোধে উজ্জীবিত করতে, সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে জনগণকে সচেতন করতে শিল্পীরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু শিল্পীর মানবাধিকার রক্ষায় সমাজের অন্যান্য শক্তিকে সব সময় সমানভাবে সোচ্চার হতে দেখা যায় না। শিল্পী ও শিল্পের কিছু কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে শিল্পীরা অনেক সময় পণ্য হিসেবে বিবেচিত হন। আর পণ্যের দোষগুণ বর্ণনার মতো শিল্পীর দোষগুণকেও অনেকে বস্তুগত দোষগুণ বিচারের মতো করে বিচার করার প্রয়াস নেন। তাঁদের এই প্রয়াসকে অতিরঞ্জিত করে প্রচার করে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। এ প্রক্রিয়ায় সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন অনেক গুণী শিল্পী, ক্ষুণ্ন হয় তাঁদের সামাজিক মর্যাদা।
[৭] শিল্পীদের উদ্দেশে তাঁরা বলেন, শিল্পীকেও তাঁর মর্যাদা রক্ষায় উদ্যোগী হতে হবে। পাশাপাশি শিল্পীদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও বোঝাপড়া আরও জোরদার করতে হবে। শিল্পীদের বিভিন্ন সংগঠনেরও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
[৮] চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে ধূমপান-মদ্যপান প্রদর্শন বন্ধে প্রক্রিয়াধীন আইন বিষয়ে বক্তারা বলেন, চরিত্রের প্রয়োজনে ধূমপান ও মদ্যপান দেখানো হয়ে থাকে। এ কারণে বিষয়টির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। সভায় জাতীয় সম্প্রচার আইন প্রণয়নের কাজ দ্রুত সমাপ্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।
[৯] গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন টেলিপ্যাবের সভাপতি ইরেশ যাকের ও সাধারণ সম্পাদক সাজু মুনতাসির, ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান সাগর, অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব নাসিম এবং নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজা। বৈঠকে শিল্পী ও কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত