শিরোনাম
◈ খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন: ইরানের দুই সংবাদমাধ্যমের খবর ◈ এবার কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, আহত অনেকে ◈ এবার খামেনির নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে ট্রাম্পের পোষ্ট ◈ হামলায় খামেনি নিহত, পাওয়া গেছে তার মরদেহ: রয়টার্সকে ইসরায়েলি কর্মকর্তা ◈ ইরানে ফের হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ◈ রাতে নতুন করে হামলা শুরু, বিকট বিস্ফোরণে কাঁপছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ◈ ফ্লাইট বাতিল যাত্রী‌রা রাত্রিযাপন সুবিধা পা‌বেন: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ◈ হিসাব মেলাতে পার‌লো না পা‌কিস্তান, জি‌তেও বাদ বিশ্বকা‌প থে‌কে, সেমিফাইনা‌লে নিউজিল্যান্ড ◈ স্কুলশিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা ◈ মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশে থাকা বাংলাদেশিদের বিশেষ সতর্কবার্তা দূতাবাসের এবং হটলাইন চালু

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২১, ১২:০৪ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২১, ০৪:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] দুই মেয়েকে ফিরে পেতে জাপানি নারীর রিট, মেয়েদের হাজিরের নির্দেশ হাইকোর্টের

সমীরণ রায় ও মহসীন কবির: [২] জাপানি নাগরিক ডা. নাকানো এরিকোর দুই সন্তানকে ৩১ আগস্ট আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গেএ ক মাসের জন্য তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। যুমনা টিভি

[৩] বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে এরিকোর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। বাংলানিউজ২৪

[৪] শিশির মনির জানান, ২০০৮ সালের ১১ জুলাই জাপানি নাগরিক ডা. নাকানো এরিকো (৪৬) ও বাংলাদেশি আমেরিকান নাগরিক শরীফ ইমরান (৫৮) জাপানি আইন অনুসারে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা টোকিওতে বাসবাস শুরু করেন। ১২ বছরের সংসারে তিনটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। তারা হচ্ছেন জেসমিন মালিকা (১১), লাইলা লিনা (১০) এবং সানিয়া হেনা (৭)। এরিকো পেশায় একজন চিকিৎসক। তিন মেয়ে টোকিওর চফো সিটিতে অবস্থিত আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের (এএসজেআই) শিক্ষার্থী ছিলেন।

[৫] ২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি ইমরান তার স্ত্রী এরিকোর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের (ডিভোর্স) আবেদন করেন। এরপর ২১ জানুয়ারি ইমরান স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে তার মেয়ে জেসমিন মালিকাকে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু তাতে এরিকোর সম্মতি না থাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষ তার প্রস্তাব নাকচ করে।

[৬] পরে স্কুলবাসে বাড়ি ফেরার পথে বাসস্টপেজ থেকে ইমরান তাদের বড় দুই মেয়ে জেসমিন ও লিনাকে অন্য একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। চারদিন পর ২৫ জানুয়ারি ইমরান তার আইনজীবীর মাধ্যমে এরিকোর কাছে বাচ্চাদের পাসপোর্ট হস্তান্তরের আবেদন করেন। কিন্তু এরিকো তা প্রত্যাখ্যন করেন। এর মধ্যে ২৮ জানুয়ারি এরিকো টোকিওর পারিবারিক আদালতে তার বাচ্চাদের জিম্মার জন্য অন্তর্র্বতীকালীন আদেশ চেয়ে মামলা করেন। আদালত ৭, ১১ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক সাক্ষাতের আদেশ দেন। ইমরান আদালতের আদেশ ভঙ্গ করে মাত্র একবার মায়ের সঙ্গে দুই মেয়ের সাক্ষাতের সুযোগ দেন।

[৭] এদিকে ৯ ফেব্রুয়ারি মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ইমরান তার মেয়েদের জন্য নতুন পাসপোর্টের আবেদন করেন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি দুই মেয়ে জেসমিন ও লিনাকে নিয়ে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।

[৮] শিশির মনির আরও জানান, ৩১ মে টোকিওর পারিবারিক আদালত এরিকোর অনুকূলে জেসমিন ও লিনার জিম্মা হস্তান্তরের আদেশ দেন। ছোট মেয়ে সানিয়া হেনাকে মায়ের কাছে রেখে ১৮ জুলাই এরিকো শ্রীলংকা হয়ে বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু ইমরান শ্রীলংকা থেকে এরিকোকে ফিরে যেতে বলেন। এরিকো বাংলাদেশে কোভিড পরীক্ষা করান এবং এর ফলাফল নেগেটিভ আসে। কিন্তু ইমরান কোভিডের ফলাফল অবিশ্বাস করে এরিকোর সঙ্গে সন্তানদের সাক্ষাতে অস্বীকৃতি জানান। অবশেষে ২৭ জুলাই মোবাইল সংযোগ বন্ধ ও চোখ বাঁধা অবস্থায় এরিকোকে তার মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয় এবং একই অবস্থায় তাদের গাড়িতে তাকে পৌঁছে দেওয়া হয়।

[৯] এ অবস্থায় এরিকো সন্তানদের নিজের জিম্মায় চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন বলে জানান আইনজীবী শিশির মনির।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়