প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইমতিয়াজ মাহমুদ: পরীমনির অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি

ইমতিয়াজ মাহমুদ: সবিনয় নিবেদন এই যে, অভিনয়শিল্পী পরীমনির অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি। এই পর্যন্ত এই শিল্পীর সাথে যা হয়েছে সেটা ন্যায় হয়নি। তাকে যে প্রক্রিয়ায় আটক করা হয়েছে সেটা ঠিক হয়নি। মামলা করার আগে একদিন আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সেটা ঠিক হয়নি। মামলা করার পর বারবার রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করা এটাও ঠিক হচ্ছে না। আর সবেচেয়ে বড় অন্যায় যেটা হচ্ছে- কেবল নারী বলেই তাকে ক্রমাগত সাইবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ওর নামে মন্দ কথা ছড়ানো হচ্ছে, ওর ব্যক্তিগত ছবি ভিডিও এসব ছড়ানো হচ্ছে। ওকে নানা ভাষায় জঘন্য সব গালিগালাজ করা হচ্ছে। এসব যে করা হচ্ছে সেটা হচ্ছে তিনি কেবল নারী বলেই।

পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা সাইবার ইউনিট এইরকম কতো সব শক্তিশালী বিভাগ বাহিনী কতো কিছু আছে সরকারের। এই যে কিছু লোক ইচ্ছে করে পরীমনিকে স্ক্যান্ডালাইজ করছে, জঘন্য জঘন্য সব গালাগালি করছে সেগুলোর বিরুদ্ধে সরকার কেন ব্যবস্থা নেবে না? সুনামের অধিকার তো আমাদের দেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। এই শিল্পীর সেই অধিকার রক্ষা করা তো সরকারের দায়িত্ব।

আমি ইমতিয়াজ মাহমুদ এই দেশের একজন অধম নাগরিক, আমার দেশ নিয়ে আমার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমি সারা পৃথিবীর সামনে দাঁড়িয়ে মাটিতে পা ঠুকে অহংকার করতে চাই। কিন্তু নারীর প্রতি এইরকম অবমাননা আমাকে আহত করে, আমার রাষ্ট্রের এইরকম চরিত্র্য আমার দেশপ্রেমের অনুভূতিকে আহত করে। আমার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আহত করে।
আমি দাবি করছি রিমান্ড বাতিল করে এই মুহূর্তে পরীমনিকে নিজ জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হোক। মামলা করেছেন মামলা চলবে। তদন্ত হোক। তদন্তে যখনই প্রয়োজন হয় পরীমনিকে তাঁর গৃহে বা অন্য যেকোনো জায়গায় তাঁর উকিলের সামনে প্রশ্ন করতে পারেন। পরীমনি দেশ থেকে পালাবেন না, চাইলে ওর পাসপোর্ট রেখে দিন।

কিন্তু ওকে এখনই মুক্তি দিন। এক্ষুনি। আর দুইটা দাবি আছে। ওই যে একটা সমিতি আছে, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি, ওই সমিতিটার নাম থেকে শিল্পী শব্দটা কেটে দিন। ওরা শিল্পীও না শিল্পীর জাতও না। সমিতি করার অধিকার ওদের আছে, কিন্তু সমিতির নামের সাথে শিল্পী শব্দটি যোগ করে রাখার অধিকার ওদের নাই। কেননা তাতে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা হয়।

আরেকটা দাবি হচ্ছে, অনলাইনে ফেসবুকে, টুইটারে, নিউজপোর্টালে সর্বত্র যারা পরীমনিকে গালি দিয়েছে ওদের সকলকে চিহ্নিত করে সাইবার হয়রানির জন্যে বিচার করুন। যেসব গালি ওরা পরীমনিকে দিচ্ছে প্রতিদিন তার চেয়ে অনেক লঘু কথা বলার জন্য আমি লোককে শাস্তি পেতে দেখেছি। এসব লোকের বিচার করেন। অন্তত শ খানেক ব্যাটাকে ধরেন। প্লিজ। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত