প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চিরুনি অভিযানের মাধ্যমেই এডিস মশা থেকে ঢাকাবাসী নিস্তার পাবে: মেয়র তাপস

সুজিৎ নন্দী: [২] ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আমরা এডিস মশকের উৎসস্থল ও বিস্তার দেখে দেখে অবাক হচ্ছি। সেদিন ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আপনারা দেখেছেন, একটি হাউজে কি পরিমাণ লার্ভা পেয়েছি।

[৩] তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আরো সচেতন হবেন, আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন, আমাদেরকে তথ্য দেবেন। আমরা চিরুনি অভিযান চলমান রাখবো। আমরা নিম্নমুখী নিয়ে এসেছি। আমরা আমাদের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রেখেছি। এটির মাধ্যমেই এডিস মশার বিস্তার থেকে ঢাকাবাসীকে আমরা নিস্তার দিতে পারবো।

[৪] মেয়র বলেন, আমরা ডেঙ্গু রোগী সম্পর্কে যে তথ্য পাচ্ছি তাতে দেখা যাচ্ছে, কেউ হয়তো বা হাসপাতালের ঠিকানা দিয়েছেন, একটি জায়গা যেখানে সুনির্দিষ্ট ঠিকানাও আমরা পাচ্ছি না। আবার অনেক সময় আমরা যোগাযোগ করছি সুনির্দিষ্ট ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। তখন দেখা যাচ্ছে তারা ঢাকার বাইরে থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েই এখানে এসেছেন।

[৫] বুধবার দক্ষিণ সিটির ১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

[৬] এ সময় মেয়র বলেন, এডিস লার্ভার বিস্তার রোধে চলমান চিরুনি অভিযানে আমরা শুধু ঊর্ধ্বমুখিতায় রোধ করিনি বরং কিছুটা হলেও তা নিম্নমুখী নিয়ে আসতে পেরেছি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, এডিস লার্ভার উৎসস্থল সম্পর্কে ঢাকাবাসীর উদাসীনতাও রয়েছে। যে কারণে অনেক পানির ছোট ছোট আধার সৃষ্টি হয়।

[৭] তিনি বলেন, প্রায় ৮ হাজার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়েছি, তারপরও সেরকমভাবে সচেতনতা আমরা পাচ্ছি না। বিশেষ করে ছাদবাগানগুলোতে বিপুল পরিমাণে লার্ভার উৎস আমরা লক্ষ্য করছি।

[৮] এদিকে মেয়র নগরবাসীকে যেসব জায়গায় পানি জমতে পারে সেসব আধার বিনষ্ট করতে এবং এডিস মশার উৎসস্থল সম্পর্কে তথ্য দেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনার আশপাশে যদি কোনো লার্ভার উৎস থাকে তাহলে আমাদেরকে জানান। আমরা সরাসরি সেখানে যাবো। আমাদের প্রায় ১ হাজার জনবল সকাল থেকে সন্ধ্যা সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে, উৎস নিধনে কাজ করছে, অভিযান পরিচালনা করছে।

[৯] এর আগে তিনি দক্ষিণ কুতুবখালীতে খাল পরিষ্কারকরণ কার্যক্রম, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী খালপাড় এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম এবং পরে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের এনায়েতগঞ্জ ম্যাটাডোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার সংলগ্ন বাইলেন এলাকায় সড়ক সংস্কার কার্যক্রম ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুকুর পাড় মসজিদ হতে মেহেরুন্নেসা স্কুল পর্যন্ত সড়ক সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

[১০] এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকেরসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা: মিনহাজুল আবেদীন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত