মিনহাজুল আবেদীন: [২] রিক্রুটিং এজেন্সিজ ঐক্য পরিষদের সভাপতি এম টিপু সুলতান আরও বলেন, লকডাউনে টিকেট সংগ্রহে ঝামেলা হচ্ছে। বিএমইটি ছাড়পত্র দেয়া বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও ট্রেনিং সেন্টার, জিসিসি ভুক্ত মেডিকেল সেন্টারসহ সৌদি দূতাবাস বন্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সচল রাখার পরেও সমন্বয়ের অভাবে সব কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

[৩] তিনি বলেন, বর্তমানে সৌদি শ্রমবাজার চলমান থাকলেও প্রায় লক্ষাধিক নতুন ভিসা ও ডিমান্ড রিক্রুটিং এজেন্সি সমূহের নিকট রয়েছে।তাছাড়া ভিসাপ্রাপ্ত হাজার হাজার কর্মীর মেডিকেলের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে সৌদি শ্রমবাজারটিও এখন মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ছে। এদিকে সৌদি কোম্পানি ও নিয়োগ কর্তাবৃন্দ দ্রুত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সৌদিতে পাঠানোর তাগিদ দিচ্ছেন। দ্রুত কর্মী পাঠাতে না পারলে, তাদের ভিসা ও ডিমান্ড ক্যানসেল হয়ে যাবে।
[৪] ফিমেল ওয়ার্কার রিক্রুটিং এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ফোরাব) সাবেক সভাপতি বলেন, গার্মেন্টস ও আরএমজি সেক্টর থেকেও জনশক্তি প্রেরণ খাত দেশ ও জাতির স্বার্থে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। চলতি অর্থ বছরে, বৈশ্বিক মহামারির মধ্যেও রিক্রুটিং এজেন্সি সমূহের মাধ্যমে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা, ২৪ বিলিয়নের অধিক বৈদেশিক রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছে। যা দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল করেছে।

[৫] তিনি আরও বলেন, লকডাউন চলা অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু রাখা। পাশাপাশি প্রবাসগামী কর্মীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে ট্রেনিং সেন্টার, জিসিসি ভুক্ত মেডিকেল সেন্টারসহ সৌদি দূতাবাসগুলো খুলে দিতে হবে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব।