শিরোনাম
◈ গণভোটের সভায় তোলপাড়: ১৬১ জন ‘ফ্যাসিস্ট শিক্ষকের’ নাম ঘোষণা করলেন রাকসু জিএস আম্মার ◈ বৈধ ভিসা ও টিকিট থাকলেও ফ্লাইটে উঠতে বাধা: ই-ভিসা জটিলতায় বিপাকে যুক্তরাজ্যগামী বাংলা‌দেশি যাত্রীরা ◈ নির্বাচিত সরকারের সামনে পাঁচটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখছে ক্রাইসিস গ্রুপ ◈ ভারতীয় পণ্যের শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পকে মোদির ধন্যবাদ ◈ স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান (ভিডিও) ◈ সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকসহ ৮ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ◈ কা‌রো হুকু‌ম পালন না ক‌রে আইসিসিকে নিরপেক্ষ হওয়ার আহ্বান শহীদ আফ্রিদির ◈ শেখ হাসিনাকে ছাপিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া সম্ভব: মির্জা ফখরুল ◈ বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে ত্রিমুখী হিসাব—ভারত শঙ্কিত, চীন হিসাবি, পাকিস্তান আশাবাদী ◈ এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল

প্রকাশিত : ২৯ জুলাই, ২০২১, ০৬:২৯ বিকাল
আপডেট : ২৯ জুলাই, ২০২১, ০৮:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডেল্টা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে টুইটার সদর দপ্তর ফের বন্ধ

রাশিদ রিয়াজ : সদর দপ্তর বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় ব্যবসা চালুর সকল পরিকল্পনাও আপাতত স্থগিত করেছে টুইটার। অথচ গত দুই সপ্তাহ আগে টুইটারের সদর দপ্তরে ফের স্টাফরা আসতে শুরু করেছিল। বুধবার সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের লোকবল ব্যক্তিগত কাজ পুনরুদ্ধার করার জন্য যখন সংগ্রাম করছেন যখন করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভেরিয়েন্ট ফের সংক্রমণ ঘটাচ্ছে। অবশ্য এত কিছুর পরও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বিপুল লাভের বিষয় ঘোষণা করতে যাচ্ছে টুইটার। সানফ্রান্সিসকোতে টুইটারের সদরদপ্তর বন্ধের পাশাপাশি নিউ ইয়র্কের অফিসও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে শিগগির। ফোর্বসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানান টুইটারের মুখপাত্র।

টুইটার বলছে সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনসন বা সিডিসি নতুন এক গাইডলাইনে মার্কিন নাগরিকদের বলেছে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি ঘরে বা জনসমাগম হয় এমন স্থানে মাস্ক পড়তে। ১৬ দিন আগে সানফ্রান্সিসকো ও নিউ ইয়র্কের অফিস খুলে দিয়েছিল টুইটার। এর আগে এক বছরের বেশি সময় বাধ্যতামূলক কর্মীদের ঘর থেকে কাজ করতে হয়। টুইটারের সিএফও নেড সিগাল গত মধ্য জুলাইয়ে টুইট করে জানান তারা সব কর্মীকে অফিসে ফিরে আসতে বলেননি। টুইটার তার সকল কর্মীকে টিকা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলে দিয়েছে। কোম্পানিটির বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত টুইটারে সাড়ে ৫ হাজার লোবল কাজ করত। তবে কতসংখ্যক লোকবল সান ফ্রান্সিসকো ও নিউ ইয়র্ক অফিসে কাজ করছেন তা উল্লেখ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সব রাজ্যেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ডেল্টা ভেরিয়েন্টের নতুন বিস্তার এবং টিকা দিতে মার্কিন নাগরিকদের অপরাগতা বিশেষজ্ঞদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এর ফলে অনেক মার্কিন কোম্পানি পুনরায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করার কথা ভাবলেও থমকে দাঁড়িয়েছে। কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা এও মনে করছেন টিকা দেওয়াটাই সবচেয়ে নিরাপদ পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে পারে। ফেসবুক, গুগল, মরগ্যান স্ট্যানলির মত কোম্পানির লোকবলকে বলা হয়েছে টিকা দেওয়ার পরই তাদের কাজে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। নিউ ইয়র্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ায় টিকা দেওয়া ছাড়াও কোভিড টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ফেডারেল গভর্নমেন্টের জন্যে একই শর্ত বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়