প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হাসপাতাল থেকে নয়, লার্ভা পর্যায়ে অবস্থা থেকে তথ্য দিন: মেয়র তাপস

সুজিৎ নন্দী: [২] ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ঢাকা শহরের যে প্রতিকূল অবস্থা তার মধ্যে পূর্ণশক্তি আমরা প্রয়োগ করে রেখেছি। আমাদের কীটনাশক আছে, জনবল আছে, যন্ত্রপাতি আছে, আমাদের সদিচ্ছা আছে, আন্তরিকতা আছে, নিষ্ঠা আছে। সবমিলিয়ে আমরা কাজ করে চলেছি।

[৩] তিনি বলেন, আপনাদের মেয়র হিসেবে, আপনাদের সেবক হিসেবে-আমি ঢাকাবাসীর প্রতি এটুকু নিবেদন করব, আপনারা আমাদেরকে তথ্য দিন।

[৪] মেয়র ফজলে নূর তাপস বলেন, আমরা তো মানুষের ছাদে উঠতে পারি না। আপনারা যদি লক্ষ্য করেন যে, ছাদে কোথাও পানি জমে আছে। আপনি যদি নিজে পরিস্কার না করতে পারেন আমাদেরকে জানান। আমরা এসে পরিষ্কার করে দেবো। আপনারা যদি লক্ষ্য করেন যে কোন প্রতিবেশীর আঙিনায় পানি জমে আছে আপনাদের তাকে দিয়ে পরিষ্কার না করাতে পারেন তাহলে আমাদেরকে জানান।

[৫] তিনি বলেন, আমরা কাউন্সিলরসহ উপস্থিত হবো, আমাদের ভ্রাম্যমান আদালতে উপস্থিত হবে। শুধু আমাদেরকে তথ্য দিয়ে আপনারা সহযোগিতা করুন। কারণ এত বিস্তীর্ণ এলাকা, এত বড় এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে এটা সম্ভব না। রোগী হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে তথ্য নিয়ে লাভ হয় না। কারণ তখন কিন্তু মশার প্রজনন হয়ে গেছে। প্রজননের আগে লার্ভা পর্যায়ে তথ্য দিন।

[৬] বুধবার পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ হাইওয়ে সংলগ্ন দক্ষিণ সিটির ৫৮ ও ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডেও ঢাকা ম্যাচ কলোনি এলাকার জলাবদ্ধ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

[৭] মেয়র তাপস আরও বলেন, এডিস মশা বাড়ির আঙিনায়, বাসাবাড়িতে হয়, ফুলের টবে হয়, ছোট বড় যে কোন পাত্রে হয় বৃষ্টির পানি এসে জমে বা পানি জমা হওয়ার সুযোগ থাকে সেখানেই কিন্তু এডিস মশার প্রজনন হয়ে থাকে।

[৮] এরপরে তিনি নগরীর ৫৯, ৫৮ ও ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এমন আরও বেশ কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেন।

[৯] মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস দক্ষিণ সিটি করপোরেশন পরিচালিত ঢাকা মহানগর শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, পুরাতন ঢাকার মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবায় এই হাসপাতালের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আমরা এই হাসপাতালের আধুনিকায়ন করব। সে লক্ষ্যেই আজকের পরিদর্শন।

[১০] এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর বদরুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের ও মুন্সি আবুল হাশেমসহ স্থানীয় ওয়ার্ডে কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত