শিরোনাম
◈ আজ থেকে বাংলা কিউআরের বাধ্যতামূলক ব্যবহার, সহজ হবে ডিজিটাল লেনদেন ◈ ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে ঢাকার ৬০ শতাংশ এলাকা ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাতিল বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা ◈ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয়ে গ্রাহকদের বিশেষ বার্তা দিলো বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ◈ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের আদেশ অবৈধ ঘোষণা ◈ ভারতীয় ভিসা আবেদনে সুখবর, অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটের ঝামেলা থাকছে না; ১ জুলাই থেকে কার্যকর ◈ টবের সাধারণ গাছের পাতায় লুকিয়ে শহর পরিকল্পনার গাণিতিক নকশা ◈ শেখ হাসিনার যে দায়, হাসানুল হক ইনুরও একই দায়: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ভারতের অরুণাচলে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, ঐতিহ্যবাহী জমি দখলের দাবি আদিবাসীদের ◈ নোট বাতিলের প্রস্তাব: অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? সফলতা কতটা? মুদ্রা বাতিলে যত ঝুঁকি

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২১, ০৮:১৬ রাত
আপডেট : ০৬ জুলাই, ২০২১, ০৮:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট: ১০৫ মামলায় ৪৬,২০০ টাকা অর্থদণ্ড

রিয়াজুর রহমান : [২] মঙ্গলবার (৬ জুলাই) দিনব্যাপী চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের চৌদ্দ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ।

[৩] এসময় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ মেনে না চলায় বিভিন্ন দোকান , রেস্টুরেন্ট এবং শপিং মলে অভিযান পরিচালনা করে মামলা ও অর্থদণ্ড প্রদান করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।

[৪] যেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয় : অভিযানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী নগরীর ডবলমুরিং ও আগ্রাবাদ এলাকায় ২৭ টা মামলায় মোট ২৪,২০০/- টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। খুলশী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম , তিনি ৮ টি মামলায় ২১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন ।

[৫] অন্যদিকে চান্দগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ , এসময় তিনি ৯টি মামলায় ২৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিক, এসময় ৭ টি মামলায় ৩৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

[৬] এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাত চকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন, তিনি ১৮ টি মামলায় মোট ৩৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। হালিশহর এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৩ টি মামলায় ৫৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান কোতোয়ালি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২ টি মামলায় ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

[৭] পাশাপাশি বায়েজিদ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন, তিনি ০৪ টি মামলা দায়ের করে ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। হালিশহর এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ রানা, এ সময় তিনি ০১ টি মামলায় ১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। অন্যদিকে পাহাড়তলি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০২ টি মামলায় মোট ২৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী । এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস বন্দর ও ইপিজেড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৬ টি মামলায় ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত, তিনি ৮ টি মামলায় ১৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

[৭]করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়