শিরোনাম
◈ নেপালের হিমবাহ ধস হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল : রিপোর্ট ◈ ঝুলন্ত সেতু দেখতে এসে হতাশ, রাঙামাটি ছাড়ছেন পর্যটকরা ◈ আগস্টে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ ◈ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, বহু সেনা নিহতের দাবি আইআরজিসির ◈ খুলনায় মাঝ নদীতে ফেরির ধাক্কায় ট্রলারডুবি, উদ্ধার ৩৫ ◈ ভারতের ওপর নির্ভরতায় হুমকির মুখে বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ◈ সেপ্টেম্বরে বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ! ◈ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে সরকারের বিশেষ প্রণোদনা, ২০২৭ সালের মধ্যে স্থাপনে মিলবে সুবিধা ◈ ৪২ বছর পর নতুন বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, বিনিয়োগ ও যাত্রীসেবায় জোর ◈ সম্পদের বিবরণ প্রকাশের শর্তে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান টিআইবির

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২১, ০৬:০১ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুলাই, ২০২১, ০৬:০১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিশ্বের ৩৭ জন নেতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি অসহিষ্ণু:আরএসএফ

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] দক্ষিণ এশিয়ার ৪ জন আছেন এই তালিকায়।

[৩] এই নেতাদের অধিকাংশই এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান। দক্ষিণ এশিয়া থেকে এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, ইমরান খান, গোটাবায়া রাজাপাকসে ও শেখ হাসিনা। প্রতিবছরেই এই তালিকা প্রকাশ করে রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডার্স বা আরএসএফ। এ বছর শেখ হাসিনাসহ নতুন করে ১৭ জন এই তালিকায় এসেছেন।

[৪] ২০১৬ সাল থেকে এই নিয়ে টানা ৫ম বারের মতো এই তালিকা প্রকাশ করলো আরএসএফ। তারা বলছে এসব নেতারা গণমাধ্যমের উপর সেন্সরশিপ আরোপ, সাংবাদিকদের কারাগারে নিক্ষেপ, তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মতো কাজগুলো করেছেন। এমনকি কেউ কেউ সরাসরি সাংবাদিক হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

[৫] এই অসহিষ্ণু নেতাদের ১৯ জনের শাসিত দেশগুলো আরএসএফ এর লাল তালিকায় আছে। অর্থাৎ এই দেশগুলোর পরিস্থিতি খারাপ। আর ১৬টি দেশ আছে কালো তালিকায়। এর অর্থ পরিস্থিতি মারাত্মক খারাপ। এই নেতাদের গড় বয়স ৬৬। এদের ১৩ জনই এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।

[৬] শেখ হাসিনাকে এই তালিকায় রাখার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কথা। বলা হয়েছে, এই আইনের কারণেই সাংবাদিকরা সেলফ সেন্সরশিপে বাধ্য হচ্ছেন। আরএসএফ’র দাবি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকেই সাংবাদিক নিপীড়ন বাড়িয়েছেন। সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ