শিরোনাম
◈ বিক্ষোভ দমনে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিহত অন্তত ২১ ◈ বসুন্ধরায় ভেজাল মদের কারখানা, ওয়ারীতে দূরনিয়ন্ত্রিত ‘কুশ’ ল্যাবের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৪ ◈ ক্ষতির মুখে দিল্লির সুতা শিল্প: যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের পথে বাংলাদেশ ◈ বড় সুখবর! সৌদি আরবে এক খাতেই প্রবাসী কর্মী লাগবে ১৬ লাখের বেশি ◈ মনোনয়ন বাতিল হয়নি দাবি হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির (ভিডিও) ◈ পাইপলাইনের ওপর ঘর তুলে অভিনব কায়দায় বিপিসির তেল চুরি (ভিডিও) ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: পোলিং ও নির্বাচনি এজেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি ◈ নীতিগত ব্যর্থতা ও দুর্নীতির চিত্র: টেলিযোগাযোগ খাতের ৩,২৭২ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্র প্রকাশ ◈ সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ও স্বার্থ বিবেচনা করে: তামিম ◈ গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২১, ০১:৪২ রাত
আপডেট : ০৬ জুলাই, ২০২১, ০১:৪২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রভাষ আমিন: আপাতত জনবিচ্ছিন্নতা ছাড়া আমাদের হাতে করোনা ঠেকানোর আর কোনো অস্ত্র নেই

প্রভাষ আমিন: গতবছর আমরা ভাগ্যের অনেক সহায়তা পেয়েছি। সংক্রমণের ভয়াবহতাও কম ছিলো। মৃত্যুও তুলনামূলক কম ছিলো। উন্নত বিশ্বে যখন মৃত্যুর মিছিল, তখন বাংলাদেশে তুলনামূলক কম। ভাগ্যের এই সহায়তা নিয়েও আমাদের আত্মতুষ্টি কম ছিলো না। কিন্তু আজ যখন উন্নত বিশ্ব প্রায় করোনামুক্ত, তখন আমরা এগিয়ে চলেছি এক ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে। প্রধানমন্ত্রীর কৌশলী উদ্যোগে টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে ছিলো। কিন্তু ভারতে করোনার সুনামি আমাদের টিকা পরিকল্পনায় বাধ সাধে। এখন নানা উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। নানামুখী চেষ্টার পরও বাংলাদেশের মাত্র ৪ ভাগ মানুষ টিকা পেয়েছে।

৮০ ভাগ মানুষকে টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনতে আমাদের লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। কিন্তু ৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা পর্যন্ত তো আমাদের বসে থাকার উপায় নেই। তাই টিকায় প্রতিরোধের আগে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি দিয়ে করোনাকে মোকাবেলা করতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানানোর ব্যাপারে সরকারের আন্তরিক উদোগ দেখা যায়নি। নানা সময়ে সাধারণ ছুটি, বিধিনিষেধ, কঠোর বিধিনিষেধ ইত্যাদি নানান চেষ্টা হলেও কোনোটাই কার্যকর ছিলো না। আমরা বারবার সাধারণ মানুষকে দোষ দিয়েছি, সরকার বললেও তারা শোনে না। কিন্তু ১ জুলাই থেকে প্রমাণিত হয়েছে, সরকার বলার মতো করে বললে মানুষ ঠিকই শোনে বা শুনতে বাধ্য হয়। এটা ঠিক লকডাউন যতো কঠোরই হোক, তা করোনা ঠেকাতে পারবে না। লকডাউন দেয়া হয় করোনা বিস্তারের চেইন ভাঙতে, ঢেউয়ের তীব্রতা কমাতে। তারচেয়ে বড় কথা হলো, হাসপাতালের ওপর চাপ কমাতে। আপাতত জনবিচ্ছিন্নতা ছাড়া আমাদের হাতে করোনা ঠেকানোর আর কোনো অস্ত্র নেই। তাই যতো কষ্টই হোক আমাদের লকডাউন মানতে হবে, ঘরে থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

গত দেড় বছরে করোনা ঠেকাতে উদ্যোগের কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যতোটা আলোচনায় এসেছে, তারচেয়ে বেশি এসেছে দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনার জন্য। এই সময়ে দুর্নীতির দায়ে আলোচিত সাহেদ-সাবরিনাসহ অনেককেই কারাগারে যেতে হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কারোই কিছু হয়নি। করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশের অর্থের কোনো সঙ্কট নেই। প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন, টাকাই যতোই লাগুক, টিকা আনা হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কেও বাড়তি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বরাদ্দের অর্থ ব্যয় করার সক্ষমতাও অর্থ মন্ত্রণালয়ের নেই। করোনাকালেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের অর্থ ফেরত গেছে। করোনা মোকাবেলায় সবাইকে মিলেই কাজ করতে হবে। কিন্তু নেতৃত্ব দিতে হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কেই। তাদেরকে আরও দক্ষ হতে হবে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। সর্বনাশের আশায় বসে থাকা আর বসে বসে লাশ গোনা কোনো কাজের কথা নয়। লেখক : হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়