শিরোনাম
◈ মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল, বলেছেন সংসদে জামায়াতের নারী এমপি ◈ পাহাড়ধস ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার ◈ প্রশাসনে বড় পদোন্নতি, যুগ্মসচিব হলেন ১৭৯ কর্মকর্তা ◈ ২০২৮ সালের মধ্যে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের শঙ্কা, বন্ধ হতে পারে শত শত শিল্পকারখানা ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ইতিবাচক পদক্ষেপের অপেক্ষায় বাংলাদেশ ◈ খামেনির জানাজার শহরে মার্কিন হামলা ◈ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এলডিসি ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ◈ জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫ পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান, জানুন পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় ◈ সংস্কার অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি হবে আরও স্থিতিশীল: এডিবি ◈ আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৩৭ রাত
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: মানুষ কি তার স্বপ্নের আশেপাশে যায়?

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: মানুষ কি তার স্বপ্নের আশেপাশে যায়? খুব বেশিদিন হয়নি আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি চারুকলা বিভাগ থেকে। সেই আমিই কিনা অলৌকিকভাবে কেমন করে জানি আমার প্রথম ডায়েরিতে আমি গোটা অক্ষরে লিখেছিলাম- আমি বড় হয়ে চিত্রশিল্পী হতে চাই। সেই থেকে পথচলা শুরু। সাহিত্য, সাংবাদিকতা, প্রত্নতত্ত্বসহ প্রায় সাত আটটা বিষয়ের হাতছানি উপেক্ষা করলাম কীভাবে সেই গল্প করতে ইচ্ছা করে। যে বলেছিলো সাহিত্যে পড়ো, তাকে বলেছিলাম- সত্যিকারের লেখকরা কেউ সাহিত্যে তেমন পড়েনি, বরং পরীক্ষার খাতায় সাহিত্যের কাঁটাছেড়া করতে গা গুলাতে পারে। বাকি থাকে জার্নালিজম, একজন বললো- খুব ভালো জার্নালিস্ট হবে তুমি। আমি মুচকি হেসে বললাম- অযোগ্য অকর্মা নেতাদের পেছনে মাইক্রোফোন নিয়ে ঘোরায় আমার পোষাবে না।

একজন বললো- প্রত্নতত্ত্ব? আমি বললাম- প্রাচীন মৃত্তিকা ততোটাই টানে যতোটা ধুলোয় এলার্জি। তারপর কীভাবে জানি জুটে গেলাম চারুকলায়। মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য মানুষ অনেকদূর যেতে পারে। আমি আদালত অবধি যেয়ে শিল্পের কাছে ফিরে এসেছি। আমার কাছে ছবি মানে কেবল ছবিই না, আরেকটা যুদ্ধের অস্ত্র। সেই অস্ত্র খুন করে না, কিন্তু গালিবের কবিতার মতো করে বলে- ভেবোনা আমি নিভে গেছি ভোরের সূর্যের মতো,/প্রেমের দাগ আমার কাফনের গলায় অলংকার হয়ে লেগে আছে। আমার প্রিয় অনুবাদক জাভেদ হুসেনের মতে সেটা হয়তো কাফনের গলায় অলংকার, কিন্তু আমার মতে- পুরো একটা জীবন। তাই প্রায়ই ভাবি, দোয়েলের ফড়িংয়ের যে জীবনের আনন্দ জীবনানন্দ পেলেন না সেই জীবন কি পাবো? কখনো কি প্রিয়তম মানুষটির দিকে চেয়ে বলতে পারবো- আমিও তোমার মতো বুড়ো হব/বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব/কালীদহে বেনো জলে পার ;/ আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়