শিরোনাম
◈ যুদ্ধের প্রভাবে ব্যবহৃত গাড়ি রপ্তানিতে ধস, বিপাকে জাপানি ব্যবসায়ীরা ◈ ‘মহাবিপদের’ আশঙ্কা করছে সৌদি আরব ◈ প্যারেডে হেলিকপ্টার থেকে এন্টি-ট্যাংক উইপন, নজর কেড়েছে কে-৯ ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড ◈ যে কারণে আবারও বাজারে ছাড়া হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট! ◈ ডিজিএফআই ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না: আদালতে মামুন খালেদের দাবি ◈ ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চান ট্রাম্প, সহযোগীদের জানিয়েছেন ইচ্ছার কথা ◈ দেশে জ্বালানি মজুদ বাড়াতে ৩ লাখ টন ডিজেল কিনবে সরকার ◈ স্থল আক্রমণ ঠেকাতে ব্যাপক প্রস্তুতি, ইরানে লাখো যোদ্ধার সমাবেশ ◈ ‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ (ভিডিও) ◈ একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৩৭ রাত
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: মানুষ কি তার স্বপ্নের আশেপাশে যায়?

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: মানুষ কি তার স্বপ্নের আশেপাশে যায়? খুব বেশিদিন হয়নি আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি চারুকলা বিভাগ থেকে। সেই আমিই কিনা অলৌকিকভাবে কেমন করে জানি আমার প্রথম ডায়েরিতে আমি গোটা অক্ষরে লিখেছিলাম- আমি বড় হয়ে চিত্রশিল্পী হতে চাই। সেই থেকে পথচলা শুরু। সাহিত্য, সাংবাদিকতা, প্রত্নতত্ত্বসহ প্রায় সাত আটটা বিষয়ের হাতছানি উপেক্ষা করলাম কীভাবে সেই গল্প করতে ইচ্ছা করে। যে বলেছিলো সাহিত্যে পড়ো, তাকে বলেছিলাম- সত্যিকারের লেখকরা কেউ সাহিত্যে তেমন পড়েনি, বরং পরীক্ষার খাতায় সাহিত্যের কাঁটাছেড়া করতে গা গুলাতে পারে। বাকি থাকে জার্নালিজম, একজন বললো- খুব ভালো জার্নালিস্ট হবে তুমি। আমি মুচকি হেসে বললাম- অযোগ্য অকর্মা নেতাদের পেছনে মাইক্রোফোন নিয়ে ঘোরায় আমার পোষাবে না।

একজন বললো- প্রত্নতত্ত্ব? আমি বললাম- প্রাচীন মৃত্তিকা ততোটাই টানে যতোটা ধুলোয় এলার্জি। তারপর কীভাবে জানি জুটে গেলাম চারুকলায়। মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য মানুষ অনেকদূর যেতে পারে। আমি আদালত অবধি যেয়ে শিল্পের কাছে ফিরে এসেছি। আমার কাছে ছবি মানে কেবল ছবিই না, আরেকটা যুদ্ধের অস্ত্র। সেই অস্ত্র খুন করে না, কিন্তু গালিবের কবিতার মতো করে বলে- ভেবোনা আমি নিভে গেছি ভোরের সূর্যের মতো,/প্রেমের দাগ আমার কাফনের গলায় অলংকার হয়ে লেগে আছে। আমার প্রিয় অনুবাদক জাভেদ হুসেনের মতে সেটা হয়তো কাফনের গলায় অলংকার, কিন্তু আমার মতে- পুরো একটা জীবন। তাই প্রায়ই ভাবি, দোয়েলের ফড়িংয়ের যে জীবনের আনন্দ জীবনানন্দ পেলেন না সেই জীবন কি পাবো? কখনো কি প্রিয়তম মানুষটির দিকে চেয়ে বলতে পারবো- আমিও তোমার মতো বুড়ো হব/বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব/কালীদহে বেনো জলে পার ;/ আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়