প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডিজিটাল মুদ্রা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সিঙ্গাপুর, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক

রাশিদ রিয়াজ : ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক থাকলেও এবং এধরনের ডিজিটাল মুদ্রাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈধতা না দিলেও এবার বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও সিঙ্গাপুর এধরনের মুদ্রা তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন এর বাজার মূলধন ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায়, ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজার ও বিভিন্ন দেশে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় এধরনের মুদ্রাকে প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আগ্রহ দেখাচ্ছে। বরং ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলির উত্থান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল মুদ্রা তৈরি করতে আগ্রহী করেছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা দেওয়ার পক্ষে এবং তা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করেছে। স্পুটনিক ইন্টারন্যাশনাল

সিঙ্গাপুরের মুদ্রা কর্তৃপক্ষ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরির এ উদ্যোগে যোগ দিয়েছে অন্যান্য সুপারেনশনাল সংস্থাগুলো। এধরনের সংস্থাগুলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বা ইউনিয়ন হিসেবে সদস্য দেশগুলোর জাতীয় সীমানা বা স্বার্থ রক্ষায় যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারে এবং বৃহত্তর যৌথ সম্পর্কিত ইস্যুতে ভোট দিয়ে থাকে। সিঙ্গাপুরের মুদ্রা কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে খুচরা ব্যবহারের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের ডিজিটাল মুদ্রা তৈরির প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। এর সহযোগীরা বিষয়টি নিয়ে একটি যৌথ প্রচেষ্টা শুরু করেছে। সিঙ্গাপুর মুদ্রা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে আগামী প্রজন্মের আর্থিক লেনদেনের সুবিধার জন্য এবং এখাতে অর্থ প্রদানের দক্ষতা বাড়াতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে উন্নতি করতে এবং অর্থনীতিতে বিস্তৃত ডিজিটাল প্রক্রিয়া আরো কার্যকর করতেই ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে এধরনের উদ্যোগের পূর্বশর্ত হচ্ছে গ্রাহকের বর্তমান এবং প্রত্যাশিত ভবিষ্যতের প্রদানের প্রয়োজন উভয়কেই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যে ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রয়োগে ব্যয়বহুল হওয়া উচিত।

একই সঙ্গে নিম্ন-আয়ের পরিবার এবং যারা কম প্রযুক্তি-বুদ্ধিমান বা এধরনের লেনদেনে অনভ্যস্ত তাদের সহ ব্যবহারকারীদের একটি সম্পূর্ণ লেনদেন প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। ডিজিটাল মুদ্রা যেন প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত হতে পারে, এর স্থিতিস্থাপকতা থাকে যাতে সহজেই আর্থিক প্রক্রিয়ার স্থায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে। এছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈধতা দিতে বা নতুন এধরনের মুদ্রা তৈরিতে যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এব্যাপারে প্রস্তাবনা আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড জানায় তারা ডিজিটাল পাউন্ড চালুর ব্যাপারে প্রস্তাবনা পুনরায় যাচাই করবে। ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ এবং ইউরোপিয় সেন্ট্রাল ব্যাংক একই ধরনের পরীক্ষা নীরিক্ষার কথা জানিয়েছে। চীন ইতিমধ্যে ডিজিটাল ইউয়ান দেশটির বিভিন্ন স্থানে চালু করেছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত