প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিদেশি কোম্পানির একচেটিয়া সুবিধা কমিয়ে দেশীয় তামাক শিল্পের জন্য নীতি সহায়তা দাবি

সালেহ্ বিপ্লব: [২] দেশিয় মালিকানার ২৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কোম্পানির মালিকদের  সংগঠন লোকাল ওনড সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারার্স মালিক সমিতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, কমিটি সরকারের কাছ থেকে যথাযথ নীতি  সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

[৩] সম্প্রতি ঘোষিত  ২০২১-২২  অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবে সিগারেট খাতে দেশীয় মালিকানাধীন সিগারেট কোম্পানী তাদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে দাবীকৃত নীতি সহায়তা হতে বঞ্চিত হয়েছে।

[৪] বহুজাতিক কোম্পানী বিদেশী কিছু দামি ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে দেশের বাজারে লঞ্চ করে ব্যাপক এবং আগ্রাসী বিপণন কর্মকান্ড চালিয়ে দেশীয়  সকল  কোম্পানীর  বাজার  দখল  করে  নিতে  থাকে।  ২০০৭-০৮  সালে  বহুজাতিক  কোম্পানী অপারেট করার পর থেকেই অধিকাংশ দেশীয় কোম্পানী অসম প্রতিযোগিতার কারনে বাজারে টিকতে না পেরে ক্রমন্বয়ে  উৎপাদন  ও  বাজারজাত  বন্ধ  করতে  বাধ্য  হয়েছে।  বর্তমানে  অধিকাংশ  কোম্পানী উৎপাদন  ও  বাজারজাত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে তাদের টিকে থাকা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

[৫] প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, একটি বিদেশী কোম্পানী একে চেটিয়া সুবিধা না দিয়ে দেশীয় শিল্পকে রুগ্ন হওয়া থেকে বাঁচাতে হবে। এই শিল্পে দেশীয় মালিকদের বিনিয়োগকৃত ১৫ হাজার কোটি টাকাসহ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের সুরক্ষা প্রয়োজন। এই শিল্পে নূন্যতম ২,০০,০০০ শ্রমিক-কর্মকতা কর্মকর্তা নিয়োজিত আছে যাদের কর্মসংস্থান হুমকির সন্মুখীন  হচ্ছে যা থেকে উত্তরণ দরকার।

[৬] সমিতির উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে , (ক)২০১৭-১৮ অর্থ বছরে নিম্নস্তরের মূল্য বিভাজন সংক্রান্ত পদক্ষেপ অনুযায়ী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সিগারেটের প্রতি শলাকার দামের মধ্যে নূন্যতম ১ টাকা পার্থক্য করে দাম নির্ধারণ। অথবা,

(খ)২০১৮-১৯  অর্থ  বছরের  অনুমোদিত  বাজেট  অনুযায়ী  বর্তমান  বাজারের  নিম্নস্তরে বিক্রিত  আন্তর্জাতিক সিগারেটের  ব্র্যান্ড  মধ্যস্তরে  উন্নীত  করে সংরক্ষিত রাখা।

[৭] সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিউটি টোব্যাকোর কর্ণধার নাজমুন নাহার লাকি  । উপস্থিত ছিলেন পনির উদ্দিন আহমেদ, আজিজুল রহমান ও কামরুজ্জামান ভরসা।

 

 

 

সর্বাধিক পঠিত