শিরোনাম
◈ নতুন মার্কিন বাণিজ্য নীতি: বাংলাদেশের রপ্তানিতে মারাত্মক হুমকি ◈ গুরুতর আহত মোজতবা খামেনি, গোপনে মস্কোতে অস্ত্রোপচার—আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি ◈ সৌদির সাড়ে ৭০০ মাইলের পাইপলাইন কি হরমুজ প্রণালির বিকল্প হতে পারবে ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ কীভাবে কোটি মানুষের খাদ্য সংকট ডেকে আনতে পারে: আরটি’র রিপোর্ট ◈ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশের নজর ◈ সি‌রিজ জ‌য়ে আন‌ন্দিত ত‌বে শেষ ওভা‌রে ১৪ রান লাগ‌বে ব‌লে ভ‌য়ে ছিলাম: মিরাজ ◈ ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সর্বোচ্চ মিলবে ৪০ লাখ টাকা ◈ তানজিদের সেঞ্চুরি, তাসকিনের ঝলক—পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয় ◈ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এলোপাতাড়ি গুলি, একজন আহত ◈ প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান

প্রকাশিত : ১৯ জুন, ২০২১, ০২:০৩ রাত
আপডেট : ১৯ জুন, ২০২১, ০২:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে নদী ও লেকের পানিতে মিলেছে করোনা: আইআইটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের গুজরাট রাজ্যের সাবরমতী নদী এবং দুইটি লেকের পানিতে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পেয়েছেন গবেষকেরা। ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আইআইটি-গান্ধীনগরের গবেষকদের পরিচালিত এক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে। তবে পানিতে পাওয়া এই ভাইরাসগুলো জীবিত নাকি মৃত সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। ইউনিসেফের অর্থায়নে গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রফেসর মনিশ কুমার। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন ভবিষ্যতে বিপর্যয় এড়াতে আরও গবেষণার প্রয়োজন।

নদী ও লেকের পানিতে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার পর এসব পানির নমুনা আরও পরীক্ষা করে দেখতে গুজরাটের বায়োটেকনোলোজি রিসার্চ সেন্টারে (জিবিআরসি) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আহমেদাবাদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (এএমসি)। কর্পোরেশনের পানি সম্পদ বিষয়ক প্রকৌশলী হারপালসিং জালা বলেন, পানি বিশ্লেষণের জন্য অনুমোদিত সংস্থা জিবিআরসি। তিনি বলেন, ‘আমরা গত এক বছর ধরেই তাদের কাছে নমুনা পাঠাচ্ছি আর তারা রাজ্য সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়।’ তবে আইআইটি গবেষকদের পাওয়া তথ্য নিয়ে কোনও ধারণা নেই বলে জানান তিনি।

গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে সাবরমতী নদী এবং কাকরিয়া ও চান্দোলা হ্রদ থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাটি পরিচালনা করেছে আইআইটি। প্রতিষ্ঠানটির আর্থ সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মনিশ কুমার জানিয়েছেন পরীক্ষায় করোনাভাইরাসে উপস্থিতির কথা জানা গেলেও পরীক্ষা পদ্ধতিতে এটা জীবিত নাকি মৃত তা শনাক্ত করা যায়নি।

মনিশ কুমার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পানির মধ্য দিয়ে ভাইরাসটির সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপরও প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসঙ্গে হয়ে এই বিষয়ে আরও গবেষণা করা দরকার। পর্যবেক্ষণ করা দরকার।’ তিনি বলেন, মূত্র কিংবা মৃতদেহের মাধ্যমে পানিতে করোনা পৌঁছালে সেগুলো মৃত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

তবে কোনও করোনারোগীর মুখ থেকে পানিতে এই ভাইরাস পৌঁছালে সেগুলো জীবিত থাকার সুযোগ আছে বলেও জানান মনিশ কুমার। তাদের পাওয়া তথ্য ইউনিসেফের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়