শিরোনাম
◈ শোলাকিয়ায় ঈদ: ছয় লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে অনন্য মিলনমেলা ◈ এবারের ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ◈ ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনায়’ জনস্রোত ◈ যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করল সুইজারল্যান্ড ◈ ইরানবিরোধী অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য ◈ তুরস্ক বা ওমানে কোনো হামলা চালায়নি ইরান, এগুলো শত্রুদের সাজানো ঘটনা: মোজতবা খামেনি ◈ পবিত্র আল-আকসায় ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলের হামলা

প্রকাশিত : ১৯ জুন, ২০২১, ০২:০৩ রাত
আপডেট : ১৯ জুন, ২০২১, ০২:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে নদী ও লেকের পানিতে মিলেছে করোনা: আইআইটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের গুজরাট রাজ্যের সাবরমতী নদী এবং দুইটি লেকের পানিতে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পেয়েছেন গবেষকেরা। ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আইআইটি-গান্ধীনগরের গবেষকদের পরিচালিত এক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে। তবে পানিতে পাওয়া এই ভাইরাসগুলো জীবিত নাকি মৃত সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। ইউনিসেফের অর্থায়নে গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রফেসর মনিশ কুমার। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন ভবিষ্যতে বিপর্যয় এড়াতে আরও গবেষণার প্রয়োজন।

নদী ও লেকের পানিতে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার পর এসব পানির নমুনা আরও পরীক্ষা করে দেখতে গুজরাটের বায়োটেকনোলোজি রিসার্চ সেন্টারে (জিবিআরসি) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আহমেদাবাদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (এএমসি)। কর্পোরেশনের পানি সম্পদ বিষয়ক প্রকৌশলী হারপালসিং জালা বলেন, পানি বিশ্লেষণের জন্য অনুমোদিত সংস্থা জিবিআরসি। তিনি বলেন, ‘আমরা গত এক বছর ধরেই তাদের কাছে নমুনা পাঠাচ্ছি আর তারা রাজ্য সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়।’ তবে আইআইটি গবেষকদের পাওয়া তথ্য নিয়ে কোনও ধারণা নেই বলে জানান তিনি।

গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে সাবরমতী নদী এবং কাকরিয়া ও চান্দোলা হ্রদ থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাটি পরিচালনা করেছে আইআইটি। প্রতিষ্ঠানটির আর্থ সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মনিশ কুমার জানিয়েছেন পরীক্ষায় করোনাভাইরাসে উপস্থিতির কথা জানা গেলেও পরীক্ষা পদ্ধতিতে এটা জীবিত নাকি মৃত তা শনাক্ত করা যায়নি।

মনিশ কুমার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পানির মধ্য দিয়ে ভাইরাসটির সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপরও প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসঙ্গে হয়ে এই বিষয়ে আরও গবেষণা করা দরকার। পর্যবেক্ষণ করা দরকার।’ তিনি বলেন, মূত্র কিংবা মৃতদেহের মাধ্যমে পানিতে করোনা পৌঁছালে সেগুলো মৃত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

তবে কোনও করোনারোগীর মুখ থেকে পানিতে এই ভাইরাস পৌঁছালে সেগুলো জীবিত থাকার সুযোগ আছে বলেও জানান মনিশ কুমার। তাদের পাওয়া তথ্য ইউনিসেফের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়