শিরোনাম
◈ অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে মাসে ২০ দিন ডিজে পার্টি, সিসা সেবন, অশালীন নাচ ও উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ প্রতিবেশীরা(ভিডিও) ◈ ডিভি লটারি ২০২৭ নিবন্ধন নিয়ে নতুন জটিলতা, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের আপিল ◈ ইরাকের কুর্দিস্তানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর, ভিসা ও রেসিডেন্সি জরিমানায় ৭৫% ছাড় ◈ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুরি, ঝালমুড়ির দোকানসহ সব খাদ্য ব্যবসা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, না মানলে শাস্তি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ শুরু ২১ জানুয়ারি, বাংলা‌দে‌শের প্রথম ম্যাচ আমিরাতের বিপক্ষে ◈ ২৫ অক্টোবর রিয়াদে ফ্লাইট চালু করছে বিমান ◈ ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগানে মুখর ফ্রান্সের রাজপথ, কারণ কী? ◈ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন, অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলত যেসব আয়োজন ◈ যে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের লাখ টাকা অনুদান দেবে সরকার ◈ টানা ছুটিতে জমজমাট কক্সবাজার, পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়

প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২১, ০২:০৭ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২১, ০২:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অপারেশন আইরনসাইড

সালাউদ্দিন অপু: দু দিন আগে অষ্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ বিশাল এক কাজ করে ফেলেছে এফ,বি,আই কে সাথে নিয়ে। নিশ্চিতভাবে বলা যায় এ ঘটনা কদিন পর হলিউডের মুভির গল্প হবে।

গল্পটা শুরু হয়েছিলো তিন বছর আগে।একজন মাদক ব্যাবসায়ী দোষী প্রমাণিত হওয়ার পর সে পুলিশকে বলেছিলো,যদি তাকে কম শাস্তি দেয়া হয় তাহলে সে "ANOM" নামে একটি কমিউনেশন ফার্মের নিয়ন্ত্রনের পথ বলে দেবে।এই "ANOM" হচ্ছে আন্ডার ওয়ার্ল্ড'র মেসেজিং এপস যার জন্য নির্দিষ্ট ডিভাইস লাগে।

দেখতে সাধারণ ডিভাইসের মতো কিন্তু আন্ডার ওয়ার্ল্ড থেকে কিনতে হয় এবং তারা নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয়।আর এই ডিভাইস কেনার জন্য আন্ডার ওয়ার্ল্ডের রিকমেন্ডেশন লাগে।তার মানে আন্ডার ওয়ার্ল্ডে পরিচিত কেউ থাকলে এবং ওরা রেফারেন্স দিলে এই ডিভাইস কেনা যাবে।

অষ্ট্রেলিয়ান পুলিশ FBI কে নিয়ে আটককৃত ঐ মাদক ব্যাবসায়ীর সহায়তায় সহায়তায় "ANOM" হ্যাক করে এর নিয়ন্ত্রন নেয়।তারপর এই ANOM কে মাদক জগতে জনপ্রিয় করে অষ্ট্রেলিয়ান এক মাদক ব্যাবসায়ী "হাসান আয়িক" র মাধ্যমে।

"হাসান আয়িক" অষ্ট্রেলিয়ার তালিকা ভুক্ত মাদক সম্রাট।AFP'র ঐ এজেন্ট ,হাসান আয়িক'কে ANOM এপ'স দেয় এবং এটি যে আন্ডার ওয়ার্ল্ডের জন্য নিরাপদ তা বুঝাতে সক্ষম হয়।আর হাসান আয়িক'র মাধ্যমে এই ANOM বিশ্বের নব্বই টি দেশে বারো হাজার ডিভাইসের মাধ্যমে মাদক সাম্রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

মাদক সাম্রাজ্যে যে সব ছবি,মেসেজ আদান প্রদান হয় ANOM এর মাধ্যমে সব তথ্য AFP'র সার্ভার হয়ে অপরাধীদের কাছে যায়।

তিন বছর প্রায় তিন কোটি'র কাছাকাছি TEXT আদান প্রদান হয় যার প্রত্যেক টি পুলিশ চেক করে তথ্য নিয়েছে।

তিন বছর পর গত সাত জুন AFP অষ্ট্রেলিয়া,জার্মানী,আমেরিকা,ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে একযোগে মোট সতেরো টি দেশে নয়হাজার আইনপ্রয়োগকারী এ অভিযানে অংশ নিয়ে আট টন কোকেন,বাইশ টন গাঁজা,দুই টন ম্যাথাএ্যামফিটামিন,২৫০ টি অবৈধ অস্র,৫৫ টি বিলাশবহুল গাড়ি,নগদ চার কোটি আশি লাখ ডলার সহ আটশ জন কে গ্রেফতার করে সারা বিশ্ব থেকে।

এখন বিপদে আছে "হাসান আয়িক"।তার জন্য মাদকের জগতে বিশাল ধাক্কা এলো।

অষ্ট্রেলিয়ান পুলিশ "হাসান আয়িক" কে বলছে আত্মসমর্পন করার জন্য।তাতে অন্ততো সে বেঁচে থাকবে।আর না হলে আন্ডার ওয়ার্ল্ড ই তাকে মেরে ফেলবে।পুলিশ কখনোই কারো বন্ধু না,প্রমাণিত। (অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখকের ফেইসবুক পোষ্ট থেকে সংগৃহিত)

  • সর্বশেষ