শিরোনাম
◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের অগ্রগতি, সমঝোতার পথে বাংলাদেশ ◈ আই‌সি‌সি থে‌কে জয় শাহকে ‘গদিচ্যুত’ করার সুবর্ণ সুযোগ! বাংলা‌দে‌শের সমর্থনে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ সা‌বেক‌দের ◈ ‌বি‌পিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে শান্তরা পেলো ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ◈ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ◈ সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি ◈ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে ভারত সবসময় সমর্থন করবে: প্রণয় ভার্মা ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র জারি ◈ আইসিসি আমাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি, কিছু করার নেই: বিসিবি  ◈ আইসিসি প্রকাশ করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে নিয়ে দিলো বার্তা ◈ বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে না : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২১, ০১:৩০ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২১, ০১:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মঞ্জুরে খোদা টরিক: রাজনীতিবিদদের যদি বয়সের বালাই না থাকে, তাহলে চাকরি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কেন বয়সের বাধা থাকবে!

মঞ্জুরে খোদা টরিক : প্রথমে চাকরির বয়সসীমা ছিলো ২৭। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করে নব্বইয়ের পর তাকে ৩০ বছর করা হলো। তারপরও সিংহভাগের তরুণ-যুবকের কপালে কোনো কাজ জুটছে না। আবার অনেকদিন ধরেই ছাত্রসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দাবি তোলা হচ্ছে চাকরির বয়সসীমা ৩৫ করার জন্য।

কিন্তু সেটাও সংশ্লিষ্টরা শুনছেন না, এমনিতে শুনবেনও না, বড় কোনো ঝাকুনি ছাড়া। আমাদের দেশের কর্তা ব্যক্তিরা কথায় কথায় দেশের অনেক উন্নতি হবার গল্প শোনান। অনেক উন্নত দেশের অর্থনীতি-জিডিপির সঙ্গেও দেশকে তুলনা করেন। শুধু তাই নয়, দেশটি এখন কোন কোন দেশের মতো দেখতে সে কথা বলেন। ভালো কথা। নিজের দেশকে অবশ্যই কখনো সেখানেই কল্পনা করি। কিন্তু আপনারা কি জানেন এই করোনায়, কতো তরুণ-যুবক তাদের চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম করলো? আর কতো তরুণ-যুবক করোনার কারণে তাদের চাকরি হারালো? কী পরিমাণ চাকরি হারানো প্রবাস ফেরত শ্রমিকই তালিকায় যুক্ত হলো?

আর কতো তরুণ নতুন করে এই দুর্যোগের সময়েও চাকরির বাজারে যুক্ত হলো? তার কি কোনো হিসেব-পরিসংখ্যা গবেষণা আছে? তাদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী? আমাদের দেশের যে অর্থনৈতিক কাঠামো সেখানে সাধারণ চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বয়সীমা থাকা উচিত নয়। সরকারের বিশেষায়িত চাকরির ক্ষেত্রে নিয়োগের বয়স ৫০ বছর করা উচিত। সেখানে তারা ৬৫ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে পারে বা পারবে। আর বিশেষ যোগ্যতা-অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে ৫-১০ বছর পর্যন্ত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ব্যবস্থা থাকতে পারে।

যারা সংসদে বসে এসব নিয়ম-আইন করেন সেই রাজনীতিকদের যদি বয়সের বালাই না থাকে, তাহলে চাকরি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কেন বয়সের বাধা থাকবে? একজন রাজনীতিক যদি রাষ্ট্রের অতি লাভজনক পদে (এমপি-মন্ত্রীসহ অন্যান্য পদে) আমৃত্যু থাকতে পারেন, একজন আমলা যদি অবসর নিয়ে আবার রাজনীতিতে নতুন করে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন, তাহলে কেন একজন যুবক ৫০ বছর বয়সে সে সরকারি চাকরিতে তার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবে না? আপনি বাধা দেওয়ার কে? কোন নৈতিক অধিকার বলে বাধা দেবেন? কাজ নাগরিকের মৌলিক অধিকার।

কেন বয়সের ইমবারগো দিয়ে তাদের মেধা-যোগ্যতার অপচয় করাবেন? তাদের বেকার করে রাখবেন? আপনাদের ছেলে-মেয়েদের তো চাকরি খুঁজতে হয় না, চাকরি করতে হয় না, তাই না? সরকারি চাকরিতে সয়সসীমা বাড়িয়ে ৫০ করা হোক। কানাডাসহ ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশে সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে এভাবে বয়সের ইম্বারর্গো দেয়া নেই। সক্ষম-সমর্থ-সুস্থ যেকোনো মানুষ তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে তারা যেকোনো বয়সে চাকরি করতে পারে। তাহলে বাংলাদেশে কেন সে ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে না?

পরিচিতি : লেখক ও গবেষক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়