শিরোনাম
◈ ঈদের পর কঠোর ব্যবস্থা: সতর্ক করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বগুড়ার শেরপুরে মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত ◈ সরকারের এক মাসে ব্যাপক অর্জন, তবে সমালোচনাও আছে ◈ কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ ম‌হেন্দ্র সিং ধোনিকে ভারতের কোচ হিসেবে দেখতে চান গৌতম গম্ভীর! ◈ যে পাঁচটি জিনিস ব‌লে দে‌বে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কোন পথে ◈ সড়কের বেহাল দশায় ম্লান হতে পারে ঈদ আনন্দ ◈ পদ্মা সেতুতে যানবাহনের চাপ বাড়লেও রাস্তায় নেই দীর্ঘস্থায়ী যানজট ◈ ভোর থেকেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠছে ইসরায়েল ◈ ইরান মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ খেলতে চায়, যুক্তরাষ্ট্রে নয়

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২১, ০৫:০৪ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২১, ০৫:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রকৌশলী ম ইনামুল হক: বাংলার উপকূল অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ এবং মেরামত

প্রকৌশলী ইনামুল হক: সাম্প্রতিক কালে সুন্দরবন অঞ্চলে সামুদ্রিক প্রলয়ের প্রকোপ বেড়েছে। ২০০৯ সালের ‘আইলা’ প্রলয়ের পর কিছুদিন আগের ‘যশ’ প্রলয়ের মাঝেও অনেকগুলো নিম্নচাপ খুলনা, সাতক্ষীরা ও দক্ষিণ চব্বিশ জেলায় বাঁধের বিপুল ক্ষতি করেছে। এছাড়াও জোয়ার বা অমাবস্যার সময় দুর্বল বাঁধগুলো সহজেই ধ্বসে যায়। তাহলে বাংলার উপকূল অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কীভাবে করতে হবে?

[১] মনে রাখতে হবে, বাংলার উজান অঞ্চলে নদীতীরের মাটি পলি ও বালির; উপকূল অঞ্চলের মাটি কাদার। তাই বাঁধ নির্মাণ করে তা টিকিয়ে রাখা সহজ যদি তা জোয়ারের জলের উচ্চতার চেয়ে বেশি হয়। নিম্নচাপ বা সামুদ্রিক প্রলয়ের সময় এই উচ্চতা আরো বাড়ে। তাই এই বাঁধগুলো নদীর সর্বোচ্চ জলতলেরঅন্তত তিন ফুট বেশি উঁচু হতে হবে।

[২] বাংলার উজান ও উপকূল সকল অঞ্চলেই নদীতীর ভাঙন আছে। তবে কাদা মাটির কারণে উজান অঞ্চলের চেয়ে উপকূল অঞ্চলে নদীভাঙন ধীরে এগোয়। তাই বাঁধ যথেষ্ট উঁচু এবং প্রসস্ত হলে সহজেই পিছিয়ে নেওয়া যায়। তবু নদীর ধারে কংক্রীটের ব্লক ফেলে ভাঙন রোধ করা যায়।

[৩] বাংলার উজান অঞ্চলের চেয়ে উপকূল অঞ্চলে ঢেউয়ের প্রকোপ বেশি। বিশেষ করে জোয়ারের সময় বাতাসের বেগ বেশি থাকে বিধায় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ে। একে জলোচ্ছ্বাস বলে। জলোচ্ছ্বাস ঠেকাতে কংক্রিটের বা জিও টেক্সটাইলের চাদরের চেয়ে ছন ঘাস বেশি কার্যকর।

[৪] বাংলাদেশের কয়রা অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন অঞ্চল বছরে ৩ মিলিমিটার করে দেবে যাচ্ছে। আগে গঙ্গা নদীর পলি এসে এটা পুরিয়ে দিতো। তাই এখানকার বাঁধগুলো যথেষ্ট উঁচু ও চওড়া হতে হবে। বাঁধগুলোর ওপরটা পাকা করে চলাচল ও পরিদর্শনের উপযোগী রাখতে হবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়