প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আশুলিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে মামলা

মাসুদা ইয়াসমিন: [২] ঢাকার আশুলিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে বাবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পোশাক শ্রমিক এক তরুণী। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ওই তরুনীর বাবা-মা দুজনেই পলাতক রয়েছে। এঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী তরুনী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গত ২২ মে আশুলিয়ার মধুপুর এলাকার ভাড়া বাড়িতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

[৩] অভিযুক্ত বাবা রসুল বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলার মনির বিশ্বাসের ছেলে। সে আশুলিয়ার মধুপুর এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে হোটেল ব্যবসা করতেন।

[৪] ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ, গত ২২ মে দুপুরে অফিস থেকে বাসায় ফিরে গোসলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় তার বাবা রসুল বিশ্বাস বাড়িতেই ছিলেন। গোসলে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাবা রসুল বিশ^াস ঘরের মধ্যে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তার চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শুনে প্রতিবেশী এক ভাড়াটিয়া দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলে রসুল দরজা খুলে চলে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা রসুল বিশ^াস ও তার স্ত্রীকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন।

[৫] ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ৮-৯ বছর বয়সেও তার বাবা এমন কাজ করেছিলো। এমনকি গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় থাকাকালীন সময়েও তার সাথে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসব বিষয়ে মা’কে জানালে, বাবা মায়ের উপর অত্যাচার করতেন। এর ঘটনাটি আত্মীয়স্বজনকে জানানো হয়। কিন্তু তারা কেউ আমার কথা বিশ্বাস করেনি।

[৬] ভাড়া বাড়ির কেয়ারটেকার মো. সোহাগ বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি শুনার পর রসুলকে ডেকে পাঠানো হলে সে পালিয়ে গেছে শুনি। এঘটনায় স্থানীয়রা মিলে মেয়ের মা’কেও তাড়িয়ে দেয়। আমি বিষয়টি মহিলা মেম্বারকে জানালে সে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে বলেন, কিন্তু মেয়ে আর যায় নাই। পরে ভুক্তভোগী নিজেই থানায় গিয়ে বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

[৭] আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন-অর-রশিদ বলেন, শনিবার রাতে ভুক্তভোগী তরুনী তার বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার সকালে ভুক্তভোগী তরুনীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় অভিযুক্ত পিতাকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি। সম্পাদনা: সাদেক আলী

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত