শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২১, ০৪:৪০ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২১, ০৪:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আমার ছেলে তো কোনো দোষ করেনি, সে শুধু প্রকৃত রাজনীতি করতে চেয়েছিলো

জিএম মিজান : [২] জেলা ছাত্রলীগ নেতা তাকবীর হত্যা মামলা প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও হত্যা মামলার মূল আসামীদের কেউ গ্রেফতার না হওয়ায়, সন্তান হত্যার ক্ষোভে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে।

[৩] রোববার বেলা ১১টায় শহরের জিরো পয়েন্ট সাতমাথায় খতাকবীর হত্যার মুল আসামীসহ সকল আসামীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।

[৪] মানববন্ধনে সন্তান হারা পিতা জহুরুল ইসলাম মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন করেন, ‘আমি কী বলব? এই সাতমাথায় অনেক বক্তব্য দিয়েছি, সমাবেশ করেছি। আজও আমাকে দাঁড়াতে হয়েছে। কেন?’ তিনি চিৎকার বলেন, ‘বগুড়াসহ দেশবাসী একটু দাঁড়ান, একটু দেখেন, একজন সন্তান হারা পিতার একটু আর্তনাদ শোনেন। আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। গত ১১ মার্চ এই সাতমাথায় আমার ছেলেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কুপিয়ে জখম করেছে। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আমি তো অনেকের কাছে বিচার চেয়েছি এই সাতমাথায়। আজ আপনারা আমার ছেলের হত্যার বিচার করে দিন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

[৫] মানববন্ধন সমাবেশে অংশ নেয় সিপিবি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ফরিদ। তিনি বলেন, গত ১১ মার্চ সাতমাথায় জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাঃ সম্পাদক তাকবীর ইসলামকে কুপিয়ে আহত করা হয়। এর কয়েকদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকবীরের মৃত্যু হয়। কিন্তু মৃত্যুর আগে তাকবীর হত্যাকারীদের নাম স্পষ্ট করে বলে যায়। তারপরও প্রশাসন এজাহারভুক্ত বা তাকবীরের বলে যাওয়া ব্যক্তিদের গ্রেফতারে ব্যর্থ হয়েছে।

  • সর্বশেষ