প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জিয়া-খালেদা ও এরশাদ বিসমিল্লাহ দিয়ে শুরু করে সমস্ত কাজ নাউজুবিল্লাহ দিয়ে শেষ করে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

এম, এ কুদ্দুস : [২] নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এম,পি বলেছেন, দেশের ও স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে কোন সখ্যতা নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে সখ্যতা বা ঐক্য করলে ৩০ লক্ষ শহীদকে অপমান করা হবে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিরা ধর্মকে পুজি করে দেশের ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিল। জিয়া-খালেদা ও এরশাদ বিসমিল্লাহ দিয়ে শুরু করে সমস্ত কাজ নাউজুবিল্লাহ দিয়ে শেষ করেছে। তাঁরা ধর্মের কথা বলে কিন্তু ধর্মের জন্য কিছুই করেনাই।

[৩] যা করেছে আওয়ামীলীগ সরকারেই করেছে। মানুষ নিজের ধর্মকে যেন ঠিকমত জানতে পারে, সে জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মাদ্রাসা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাকে স্বীকৃতি দেয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় প্রায় সাড়ে পাঁচশত মডেল মসজিদ নির্মান করেছে। শুধু মসজিদ মাদ্রাসা নয় দেশের প্রতিটি ধর্মের উপসনালয় গুলিরও ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হয়েছে। উন্নয়ন ঘটেছে দেশের সকল ক্ষেত্রে।

[৪] করোনা পরিস্থিতিতেও দেশের উন্নয়ন থেমে নেই। বিশ্ব অর্থনৈতিক গবেষকগণ মন্তব্য করেছেন আগামী ২০৩৩ সালে বাংলাদেশ পঞ্চম অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাড়াবে। অথচ স্বাধীনতা বিরোধী প্রেতাত্মাসহ বিএনপি করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, করোনা ভেকসিনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, এবং ভাংচুর ও জ্বালাও-পোড়াও করেছে। ভারতে বিজিবি বিজয়ী হলে বিএনপি তাদের পার্টি অফিসে মিষ্টি বিতরণ করে। আবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগদিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে সফরে আসলে বিএনপি ও তাদের দোষররা দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও জ্বালাও পোড়াও করে।

[৫] এই হল বিএনপির অবস্থা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন দলের সাথে সম্পর্ক নয়। বাংলাদেশের সর্ম্পক ভারতের সাথে, দেশের সাথে দেশের সর্ম্পক। বাংলাদেশ-ভারতের সর্ম্পক ছিল, আছে এবং থাকবে। শনিবার সকালে দিনাজপুরের বিরল উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের হলরুমে বিরল উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ আয়োজিত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে সৃজিত বাগানের লভ্যাংশ বিতরণ ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

[৬] বিরল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিনাত রহমানের সভাপতিত্বে ও দিনাজপুর বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদেকুর রহমানের সঞ্চলোনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র সবুজার সিদ্দিক সাগর, সাধারন সম্পাদক রমা কান্ত রায়, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আজাহার আলী পাটোয়ারী,থানার অফিসার ইনচার্জ ফখরুল ইসলাম এবং উপকারভোগীর পক্ষে শফিউল আলম প্রমুখ।

[৭] স্বাগত বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বশিরুল-আল-মামুন। বন বিভাগের আওতায় ২৩৫ জনের মাঝে ১ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকার চেক এবং বিরল উপজেলার ৩শ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১ কোটি ২২ লক্ষ টাকার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। পরে প্রধান অতিথি বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকর্ষ্মিক পরিদর্শন ও পলাশবাড়ী উইনিয়নের সারাঙ্গাই পলাশবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়রে একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ও এক সূধী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত